অতিরিক্ত ওজন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অতিরিক্ত ওজন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বৃহস্পতিবার, ২১ জুলাই, ২০১১

ওজন কমাতে লেবু-মধু পানীয়

ওজন কমাতে অনেকে অনেক কিছু পান করেন বা খান। যেমন : ওজন কমানোর চা, সোনাপাতা, ওজন কমানোর ওষুধ ইত্যাদি। এগুলোর কোনো কার্যকারিতা আছে কিনা তা সন্দেহ আছে। থাকলেও এগুলোর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকতে পারে। কিন্তু প্রাকৃতিক উপাদান মধু ও লেবু আসলেই যে কার্যকরী, তা পরীক্ষিত এবং সারা বিশ্বে সমাদৃত ও স্বীকৃত । ওজন কমাতে দুটি প্রাকৃতিক উপাদান লেবু ও মধুর পানীয় সম্পর্কে অনেকেই জানেন । ওজন কমানো ছাড়াও লেবু ও মধুর অনেক গুণাগুণ আছে।

কেন ওজন কমায়
মধুতে যদিও চিনি থাকে, কিন্তু এতে ভিটামিন ও মিনারেল থাকার কারণে এটি সাধারণ চিনির মতো ওজন না বাড়িয়ে কমায়। কারণ সাধারণ চিনি হজম করতে আমাদের শরীর নিজের থেকে ভিটামিন ও মিনারেল খরচ করে, ফলে এসব পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হয়। এসব উপাদান ফ্যাট ও কোলেস্টেরল কমাতে বা ভাঙতে সাহায্য করে। ফলে যখন আমরা বেশি চিনি খাই, তখন অধিক ক্যালরি শরীরে জমা ছাড়াও এসব পুষ্টি উপাদানের চিনি হজম করতে অতিরিক্ত খরচ হওয়ায় পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হয়। তাই ওজন বাড়াতে পারে। কিন্তু মধুতে এসব উপাদান থাকার ফলে এগুলো হজমে সহায়ক এবং ফ্যাট ও কোলেস্টেরল কমায়। তাই এই পানীয় ওজন কমায়। তাছাড়া সকালে উঠেই শরীর যদি পানি জাতীয় কিছু পায়, তবে তা হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। ফলে একই রকম শারীরিক পরিশ্রম করেও আপনার হজম শক্তি বৃদ্ধির কারণে ওজন কমতে পারে।

লেবু-মধু পানীয় বানানোর প্রণালী
এক গ্লাস হালকা বা কুসুম গরম পানি, আধা চা চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধু। গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে পান করুন লেবু-মধু পানীয়। আপনি চাইলে এর সঙ্গে সবুজ চা মেশাতে পারেন।

যা লক্ষ্য রাখবেন
—আগে পানি হালকা গরম করে তারপর লেবু ও মধু মেশাবেন। মধু 
কখনোই গরম করতে যাবেন না।
—যদি ঠাণ্ডা পানিতে এটি পান করেন, তবে বিপরীত ফল হবে, মানে 
আপনার ওজন বাড়বে।

লেবু-মধু পানীয়ের উপকারিতা
— এই পানীয় শরীর থেকে টক্সিন বের করে। শরীরের ভেতরের 
নালীগুলোর সব ময়লা বের করে দেয়।
— মেটাবলিজম/হজম শক্তি বাড়ায়, ফলে ওজন কমে। ঠাণ্ডা লাগলে এই 
পানীয় কফ বের করতে সাহায্য করে এবং ঠাণ্ডা লাগলে গলাব্যথা 
করলেও এটি উপকারী ।
— এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
— শরীরে শক্তি বাড়ায়, অলসতা কমায়।
— কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

মধুর উপকারিতা
মধুতে গ্লুকোজ ও ফ্রুকটোজ আলাদাভাবে থাকে, কিন্তু চিনিতে তা একসঙ্গে থাকে। ফ্রুকটোজ তাড়াতাড়ি গ্লুকোজের মতো শরীরে ক্যালরি হিসেবে জমা হয় না। তাই চিনির মতো মধু সহজে ক্যালরি জমা করে না। ফলে অল্প মধু খেলেও ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কম।
মধু শরীরকে রিলাক্স করে, মনকে প্রফুল্ল রাখতে সাহায্য করে এবং সহজে ঘুম আনতে সাহায্য করে।
মধু একটি প্রাকৃতিক এন্টি বায়োটিক, যা শরীরের সব ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে ইনফেকশন দূর করে। ফলে শরীরের কাজ করার প্রণালী উন্নত হয় এবং হেলদি থাকে।
মধু হজমে সহায়ক। তাই বেশি খাবার খাওয়ার পরে অল্প মধু খেতে পারেন
—মধু ফ্যাট কমায়, ফলে ওজন কমে।
—মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয়।
—চোখের জন্য ভালো।
—গলার স্বর সুন্দর করে।
—শরীরের ক্ষত দ্রুত সারায়।
—আলসার সারাতে সাহায্য করে।
—নালীগুলো পরিষ্কার করে।
—ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
—মধু এন্টি অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ 
পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।
—বুদ্ধিবৃত্তি বাড়ায়।
—শরীরের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায় ও তারুণ্য বাড়ায়।

লেবুর উপকারিতা
লেবুতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, যা এন্টিসেপটিক ও ঠাণ্ডা লাগা প্রতিরোধ করে
—লেবুর এই উপাদানগুলো টনসিল প্রতিরোধ করে
—এছাড়া লেবুর ভিটামিন সি ক্যান্সারের সেল গঠন প্রতিরোধ করে।
—লেবু বুক জ্বালা প্রতিরোধ করতে ও আলসার সারাতে সাহায্য করে।
—লেবু আর্থাইটিসের রোগীদের জন্য ভালো ।
—লেবু শরীরের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াগুলোকে ধ্বংস করে।
—লেবু এন্টিঅক্সিডেন্ট। তাই ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ত্বক 
পরিষ্কার রাখে, অপহব দূর করে। ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। 
কালোদাগ ও ত্বকের ভাঁজ পড়া কমায়।
—লেবু ওজন কমাতে সাহায্য করে।
—লেবু হজমে সহায়ক ও হজমের সমস্যা দূর করে।
—কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
—শরীরের ভেতরের টক্সিন দূর করে, অন্ত্রনালী, লিভার ও পুরো শরীরকে 
পরিষ্কার রাখে।
—পেট ফোলাজনিত সমস্যা কমায়।
—রক্ত পরিশোধন করে।
—ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
—শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি হলে ভালো কাজ করে।
—শ্বাসনালীর ও গলার ইনফেকশন সারাতে সাহায্য করে।

কখন খাবেন
সাধারণত সকালে উঠেই প্রথম পানীয় হিসেবে খালি পেটে এটি খাওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পরে সকালের নাস্তা খেতে পারেন।

সাবধানতা
যাদের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা আছে তারা অবশ্যই এটি খালি পেটে খাবেন না। কারণ লেবু এসিডিক। তাই ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করে এটি খাবেন।
তাছাড়া লেবুর এসিড দাঁতের এনামেলের জন্য ক্ষতিকর, তাই এই পানীয় খাবার সঙ্গে সঙ্গে কুলি করবেন, অথবা পানি খাবেন।
একটা কথা মনে রাখবেন, ওজন কমানোর জন্য এই পানীয় শুধুই সহায়কমাত্র। সম্পূর্ণ ওজন কমানোর প্রক্রিয়াতে অবশ্যই থাকতে হবে স্বাস্থ্যকর/ব্যালেন্সড ডায়েট, নিয়মিত শরীর চর্চা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা।
উৎস: ই-তথ্যকোষ।

শনিবার, ২ জুলাই, ২০১১

বাড়তি ওজন কমাবেন কি ভাবে?


স্থূলতা বা বাড়তি ওজনের সাথে আমরা কম বেশি সবাই পরিচিত। কারণ এটি এখন বহুল আলোচিত একটি বিষয়। নাগরিক জীবনে কারও কারও ক্ষেত্রে স্থূলতা বোঝা হয়ে দাড়িয়েছে। বাড়তি ওজনের জন্য বিভিন্ন শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক সমস্যা দেখা দেয়। তাই আমরা সকলেই বাড়তি ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চাই। কিন্তু দেখা যায় বিভিন্ন কারণে ওজন নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। আসলে ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন ব্যক্তির নিজস্ব ইচ্ছা এবং চেষ্টা। আসুন আমরা ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখার সহজ কয়েকটি টিপস জেনে নেই।

বাড়তি ওজন কমাবেন কি ভাবে

* প্রতিবেলা খাবার আগে অবশ্যই এক গ্লাস পানি পান করুন।
* খাবার সময় মজার বা প্রিয় খাবার দেখে ওদরপূর্তি করে না খেয়ে আধপেট খান/পেট খালি রেখে খান।
* খাবারের সময় অবশ্যই চর্বিজাতীয় খাবার বাদ দিয়ে খান। বিশেষ করে মাছ ও মাংসের চর্বি, ঘি, মাখন, পনির ইত্যাদি।
* ক্ষুধা না পেলে কখনই খাবেন না।
* বাজি ধরে বা বন্ধুদের সাথে সেলিব্রেট করার সময় খাবার না খেয়ে বরং কোথাও ঘুরে আসুন।

* ফাস্টফুড জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলুন। কারণ এগুলো উচ্চ ক্যালরী ও উচ্চ ফ্যাটবহুল খাবার। এসব খাবারের সাথে আপনি নিজের অজান্তেই প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ক্যালরী গ্রহণ করে ফেলেছেন।
* যতটা সম্ভব হাঁটাহাঁটি করুন। যেমন, কাছাকাছি দূরত্বে কোথাও হেঁটে যান, উপরে উঠতে লিফট ব্যবহার না করে সিঁড়িতে চলুন।
* স্ন্যাকস হিসেবে ফল খাওয়ার অভ্যাস করুন।
* কারো আশায় না থেকে নিজের ছোট ছোট কাজগুলো নিজেই করুন। যেমন-এক গ্লাস পানির জন্য কাউকে না বলে নিজেই উঠে গিয়ে নিয়ে নিন।
* অনেকেই বলেন, সময়ের অভাবে এক্সারসাইজ করতে পারেন না, তাই যখনই সময় পান ফ্রিহ্যান্ড কিছু এক্সারসাইজ করুন। যেমন-সকালে ঘুম থেকে উঠে বিছানাতে বসেই কিছু ফ্রিহ্যান্ড এক্সারসাইজ করতে পারেন।
* সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজের ওজন মাপুন। কারণ, ওজন যদি স্বাভাবিক থাকে সেটা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করতে হবে।

আসুন আমরা স্থূলতাকে ভয় না পেয়ে সহজ ভাবে একে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করি। কারণ, স্থূলতা বা ওজনাধিক্য থেকে পরবর্তীতে বিভিন্ন বিশেষ করে ডায়াবেটিস, হূদরোগ, হাইপার-টেনশন ইত্যাদি রোগ দেখা দিতে পারে। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তির ইচ্ছার সাথে সাথে বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশও একান্ত কাম্য।

স্লিম থাকতে হলে


আমরা ওজন কমাতে চাই, স্লিম থাকতে চাই। ভালো কথা। এজন্য খাদ্যের দিকে কেবল নজর, কিন্তু  কী পানীয় গ্রহণ করছি সেদিকে তেমন লক্ষ্য নেই। বড় ভুল। আমেরিকানরা প্রতিদিন যে পরিমাণ ক্যালোরি গ্রহণ করেন এর এক পঞ্চমাংস আসে পানীয় থেকে। আমাদের দেশেও প্রচুর পানীয় বিশেষ করে কোমল পানীয় পান করেন লোকজন, বিশেষকরে তরুণরা। সঠিক পানীয় উদ্দীপ্ত করে বিপাক, কমায় ক্ষুধা, কমায় মোট ক্যালোরি। কিছু কিছু পানীয় তাই হিতকর আবার  কোনও কোনওটি ক্ষতিকর। বিশেষ করে ওজন হ্রাসের জন্য।
সোডা জাতীয় পানীয় মোটেই হিতকর নয়:প্রতিবার এক বোতল সোডা পান মানে শত শত শূন্য ক্যালোরি গ্রহণ। অনেকে ডায়েট সোডার কথা বলেন তবে এতে লাভ হয় তেমন একটা হয় বলে মনে হয় না।
সব চেয়ে হিতকর হলো ‘পানি পান’: কার্বনেটেড কোমল পানীয়ের বদলে ‘কেবল পানি পান’ করলে প্রতি দিনে শত শত ক্যালোরি গ্রহণ থেকে বাঁচা যায়। হিত এখানেই শেষ হয় না। খাওয়ার আগে দুগ্লাস পানি পান করলে পাকস্থলী অনেক দ্রুত ভরাট বোধ করে, তাই খাওয়া হয় কম। এছাড়া নতুন গবেষণায় দেখা যায়, প্রচুর পানি পান করলে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়ে দেহ বিপাকের উপর।
ফলের রস:ফলের রসে ক্যালোরি বেশ বেশি থাকে ঠিক তবে তা শূন্য ক্যালোরি নয় সোডার মত। এতে আছে পুষ্টি উপকরণ। বাড়তি চিনির সঙ্গে ভিটামিনও এন্টি অক্সিডেন্টও লাভ করা হয়। একটি বিকল্প ১০০% ফলের রস। কেবল ফলের রস এর সঙ্গে বাড়তি মিষ্টি যোগ না করলে হয়। আবার ফলের রসের সঙ্গে পানি মিলিয়ে পান করলেও কিছু ক্যালোরি কমে।
সবজির রস বেশ ভালো: সবজির রস বেশ পুষ্টিকর, ফলের রসের অর্ধেক ক্যালোরি। এক কাপ টমেটো জুসে আছে ৪১ ক্যালোরি, কমলার রসে সে পরিমাণে রয়েছে ১২২ ক্যালোরি। ফলের নরম শাস বা সবজির শাস সহ জুসে আঁশও পাওয়া যায় ভালো। বাজারে ভেজিটেবল মকেটল বেরিয়েছে এগ্রোভিত্তিক, খামার যারা করেন এদের তৈরি। খেতে মন্দ লাগলো না। ক্ষুধাও কমে যায়।
স্মুথি: এক কলা, স্ট্রবেরি ও ব্লুবেরি মিশিয়ে স্মুথি তৈরি করলে মজা। এ থেকে পাওয়া যায় রোগ প্রতিরোধী ভিটামিন ও খনিজ দ্রব্যের সমাহার। ঘরে তৈরি ভালো সবচেয়ে। ননীতোলা দুধ ও তাজা বা হিমায়িত ফল। রেস্তোরার স্মুথিতে থাকে আইসক্রিম, ননী, মধু ও অন্যান্য মিষ্টক দ্রব্য যাতে ক্যালোরি মান উঠে তুঙ্গে।
লো-ফ্যাট দুধ:ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেলে শরীরের হিত হয়, তবে এতে শরীরের ওজন কমেনা। কম চর্বি দুধ, দধি ও পনির খেলে হয়।
ক্ষতিকর হলো এনার্জি ড্রিংক: সোডার মতই ক্যালোরি বোমা হলো স্ট্রোটস্ ও এনার্জি ড্রিংক। এদের মধ্যে পুষ্ট গোণ করা হলেও অনেক কম ক্যালোরি খাদ্যেও থাকে সে সব পুষ্টি। যারা ওজন কমাতে চান এবং স্লিম থাকতে চান তারা এসব পানীয় না পান করে কেবল শুধু পানি পান করবেন।
কালো কফি:ক্যাফিন চাই সামান্য। সোডা বা এনার্জি ড্রিংকের চেয়ে কফি ভালো। ব্ল্যাক কফি হলো ক্যালোরি মুক্ত এন্টি অক্সিডেন্টে ভরপুর। মধ্যম পরিমাণে কফি পান (দিনে ৩-৪ কাপ) মন মেজাজ, মনোযোগ ভালো করে, টাইপ-২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায়, এটি ক্যান্সার রোধীও বটে।
ফেনায়িত স্বাদু মনোহর কফি ভালো না: ব্লাক কফির নির্দোষ মগে যদি ভারি ক্রিম, সুবাসিত সিরাপ, হুইপড্ ক্রিম কাপ, যোগকরে তা চর্বি ও চিনির ভান্ডার হয়ে উঠে। প্রতিকাপে ৫৭০ ক্যালোরি পর্যন্ত হতে পারে এত বেশি। এক বেলার খাবারের সমান প্রায়।
সবুজ চা বড় ভালো: সামান্য ক্যাফিনের সন্ধানে থাকলে গ্রীন টি হলো ভালো উত্স। কেবল যে ক্যালোরি মুক্ত তাই নয়, কিছু গবেষণা বলে, সবুজ চা পানে ওজনও কমে। কিভাবে তা ঘটে, জানি না, তবে ক্যাফিনও ক্যাটেবিন নামে অনুপুষ্টির এতে ভূমিকা আছে। দিনে দু’বার সবুজ চা পান ভালো। ককটেল, মদ্য, কুলার সব হলো ক্ষতিকর পানীয়। হালকা বিয়ার ও ভালো না।

সোমবার, ২৭ জুন, ২০১১

ওজন কমায় যেসব খাবার



কিছু কিছু খাবার শুধু উদরই পূর্তি করে না, ওজন কমাতেও সহায়তা করে। ফলে স্খূলতা নিয়ে যারা উদ্বিগ্ন, তারা এসব খাবারের দিকে মনোযোগী হতে পারেন। এসব খাবারের মধ্যে প্রথমেই রাখা যায় গোল আলু। ভর্তা বানিয়ে, রান্না করে, সেদ্ধ করে বা ভেজে, যেভাবেই আলু খাবেন, তা ওজন কমাতে সহায়তা করে থাকে। যেকোনো খাবারের সাথে সালাদ নেবেন বেশি বেশি। বিশেষ করে টমেটো, শসা ইত্যাদি বেশি বেশি খাবেন। বিস্কিট বা ক্যালরিসমৃদ্ধ খাবারের চেয়ে আপেল, আম, আঙুর প্রভৃতি ফল খাবেন। রুটি, ভাতকে প্রধান খাবারে পরিণত করুন। বিভিন্ন ধরনের বাদাম আপনার খাবার গ্রহণের স্পৃহাকে কমাতে সহায়তা করবে। 

শনিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১১

অতিরিক্ত ওজন কমান


           ওজনাধিক্য বা স্থূলতা শব্দটির সাথে আমরা সকলেই পরিচিত। শরীরের ওজন যখন স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি হয় তখন তা ওজনাধিক্য নামে পরিচিত। আমরা অনেকেই বুঝতে পারি না শরীরের ওজন কেন বা কিভাবে বাড়ছে। এজন্য আসলে আমাদের নগরকেন্দ্রিক লাইফস্টাইল দায়ী। এছাড়াও ত্রুটিপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস, বংশগত কারণেও ওজন বেড়ে থাকে। ওজন বৃদ্ধি যে কারণেই হোক না কেন অতিরিক্ত ওজন বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা ও রোগের  জন্ম দেয়। ওজনাধিক্যের কারণে ডায়াবেটিস, উচ্চরক্তচাপ, হূদরোগ, কিডনি সমস্যা, বাত, জয়েন্টে পেইন ইত্যাদি রোগ দেখা দেয়। সম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে যে, বিভিন্ন ধরণের ক্যান্সারের সাথেও ওজনাধিক্যের সম্পর্ক রয়েছে। এছাড়া বাড়তি ওজনের জন্য অনেক সময় সামাজিকভাবেও হেনস্তা হতে হয়। এটা ভূক্তভোগী মাত্রই জানেন।

এই জটিলতাগুলো কমানোর জন্য ওজন নিয়ন্ত্রণ একান্ত প্রয়োজন। ওজন কমানোর জন্য আগে জানতে হবে আপনার আদর্শ ওজন কত, আদর্শ ওজনের চেয়ে কত বেশি আছে, কোন শারীরিক সমস্যা আছে কিনা, এই বিষয়গুলো সম্পর্কে ভালোভাবে জেনে তারপর ওজন নিয়ন্ত্রণে মনোযোগী হতে হবে। ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আপনার একান্ত আগ্রহ আর মোটিভেশন। ব্যক্তির যদি একান্ত আগ্রহ থাকে তবে কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌছাতে সহজ হবে। আর মোটিভেশনের কাজটি করতে পারেন পরিবারের সদস্য, বন্ধু, আত্মীয় সকলেই।

এবার আসা যাক পথ্যের ব্যাপারে। পথ্য নির্বাচনের আগে আপনাকে আপনার দৈনিক ক্যালরী চাহিদা সম্পর্কে জানতে হবে। তারপর খাদ্য তালিকায় ক্যালরীবহুল খাদ্য কমিয়ে কম ক্যালরীযুক্ত খাদ্যদ্রব্য যোগ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, প্রয়োজনের অতিরিক্ত ক্যালরী দেহে মেদরূপে জমা হয়। এক্ষেত্রে খাদ্যদ্রব্যকে নিম্নোক্তভাবে ভাগ করতে হবে।

* খেতে বাধা নেই: সবধরণের শাক-সবজি, ফলমূল, মাছ, মুরগীর মাংস, দুধ, কুসুমছাড়া ডিম, দই, ভূনা ডাল, ইত্যাদি।
* পরিমিত পরিমাণে গ্রহণীয় খাদ্য: ভাত, রুটি, পাউরুটি, গরু ও খাসির মাংস (চর্বি ছাড়া) কলিজা, মগজ, বাদাম ইত্যাদি।
* বর্জনীয় খাদ্য: মিষ্টি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার, চর্বি, মাখন, ঘি, পনির, তেলে ভাজা খাবার, ফাস্টফুড, চকলেট আইসক্রিম ইত্যাদি।
খাদ্য নিয়ন্ত্রণের সাথে দরকার পর্যাপ্ত ঘুম ও শারীরিক পরিশ্রম। ব্যায়াম করা সম্ভব না হলে দৈনিক কমপক্ষে ১ ঘন্টা  হাটতে হবে। আর একবার ওজন নিয়ন্ত্রণে এলে চেষ্টা করতে হবে যাতে পুনরায় বেড়ে নায়।

বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০১১

স্লিম হতে করণীয়

স্লিম হওয়া যেন এই সময়ের ট্রেন্ড। কিন্তু স্বাস্খ্যসম্মতভাবে  স্লিম হওয়া খুব সহজ নয়। এ জন্য প্রথমেই আপনার মনকে শক্ত করতে হবে। ভাজাপোড়া, মিষ্টি ও কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার প্রায় বন্দ্ব করে দিতে হবে। প্রতিদিন ভোরে ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন। ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি পান করুন। ১৫ মিনিট পর এক কাপ চিনি ছাড়া চা পান করুন। সাথে এক-দুটি টোস্ট বা বিস্কুট খেতে পারেন। চা পানের এক ঘন্টা পর সকালের নাশতা করুন। সকালের নাশতায় দু-তিনটি রুটি, একটি ডিম, সবজি ও সালাদ রাখুন। দুপুরের ও সকালের খাবারের মাঝে ফল যেমন­ আপেল, পেয়ারা, কমলা ইত্যাদি খেতে পারেন। শুধু দুপুরে একটু ভাত খাবেন। মধ্যাহ্নভোজে এক থেকে দেড় কাপ ভাত, এক কাপ ডাল, সবজি, এক টুকরো মাছ বা গোশতসহ ঝোল তরকারি ও সালাদ রাখুন। রাতে আবার দু-তিনটি রুটি, সবজি, এক কাপ ডাল ও এক টুকরো মাছ বা গোশত খাবেন। সাথে এক কাপ দুধ রাখতে পারেন। ওপরের খাদ্যাভ্যাসগুলো ছাড়া প্রতিদিন অবশ্যই আধঘন্টা থেকে এক ঘন্টা হাঁটার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এভাবে যদি প্রতিদিন ওপরের অভ্যাসগুলো মেনে চলতে পারেন তবে স্বাস্খ্যসম্মত উপায়ে আপনি  স্লিম হতে পারবেন।

বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ, ২০১১

ওজন কমাতে লেবু-মধু পানীয়

ওজন কমাতে অনেকে অনেক কিছু পান করেন বা খান| যেমন: ওজন কমানোর চা, সোনা পাতা, ওজন কমানোর ওষুধ ইত্যাদি| এগুলোর কোনো কার্যকারিতা আছে কিনা তা সন্দেহ আছে| থাকলেও এগুলোর side effect থাকতে পারে| কিন্তু প্রাকৃতিক উপাদান মধু ও লেবু আসলেই যে কার্যকরী, তা পরীক্ষিত এবং সারা বিশ্বে সমাদৃত ও স্বীকৃত | ওজন কমাতে দুটি প্রাকৃতিক উপাদান লেবু ও মধুর পানীয় সম্পর্কে অনেকেই জানেন | ওজন কমানো ছাড়াও লেবু ও মধুর অনেক গুনাগুন আছে|
কেন ওজন কমায় ?
মধুতে যদিও চিনি থাকে, কিন্তু এতে ভিটামিন ও মিনারেল থাকার কারণে এটি সাধারণ চিনির মত ওজন না বাড়িয়ে, কমায়| কারণ সাধারণ চিনি হজম করতে আমাদের শরীর নিজের থেকে ভিটামিন ও মিনারেল খরচ করে, ফলে এই সব পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হয়| এই সব উপাদান ফ্যাট ও cholesterol কমাতে বা ভাঙ্গতে সাহায্য করে| ফলে যখন আমরা বেশি চিনি খাই, তখন অধিক ক্যালরি শরীরে জমা ছাড়াও এইসব পুষ্টি উপাদানের চিনি হজম করতে অতিরিক্ত খরচ হওয়ায় এই সব পুষ্টি উপাদানের ঘাটতি হয়| তাই ওজন বাড়তে পারে| কিন্তু মধুতে এসব উপাদান থাকার ফলে এগুলো হজমে সহায়ক এবং ফ্যাট ও cholesterol কমায় | তাই এই পানীয় ওজন কমায় |তাছাড়া সকালে উঠেই শরীর যদি পানি জাতীয় কিছু পায়, তবে তা হজম শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে| ফলে একই রকম শারীরিক পরিশ্রম করেও আপনার হজম শক্তি বৃদ্ধির কারণে ওজন কমতে পারে|
লেবু-মধু পানীয় বানানোর প্রণালী:
এক গ্লাস হালকা বা কুসুম গরম পানি, অর্ধেক/২ চা চামচ লেবুর রস, এক চা চামচ মধু | গরম পানিতে লেবু ও মধু মিশিয়ে পান করুন লেবু-মধু পানীয়| আপনি চাইলে এর সাথে সবুজ চা (Green Tea) মেশাতে পারেন|


লেবু-মধু পানীয়

লক্ষ্য রাখবেন:

আগে পানি হালকা গরম করে, তারপর তাতে লেবু ও মধু মেশাবেন| মধু কখনই গরম করতে যাবেন না|

যদি ঠান্ডা পানিতে এটি পান করেন, তবে বিপরীত ফল হবে, মানে আপনার ওজন বাড়বে|

লেবু-মধু পানীয়র উপকারিতা:

এই পানীয় শরীর থেকে টক্সিন বের (detoxify) করে| শরীরের ভেতরের নালী গুলোর সমস্ত ময়লা বের করে দেয়
metabolism/হজম শক্তি বাড়ায়, ফলে ওজন কমে
ঠান্ডা লাগলে এই পানীয় কফ বের করতে সাহায্য করে| এবং ঠান্ডা লাগলে, গলা ব্যাথা করলেও এটি উপকারী |
এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
শরীরের শক্তি বাড়ায়, অলসতা কমায়
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে


মধুর উপকারিতা:

মধুতে glucose ও fructose আলাদা ভাবে থাকে,কিন্তু চিনিতে তা একসাথে থাকে|fructose তাড়াতাড়ি glucose এর মত শরীরে ক্যালরি হিসাবে জমা হয় না| তাই চিনির মত মধু সহজে ক্যালরি জমা করে না| ফলে অল্প মধু খেলেও ওজন বাড়ার সম্ভাবনা কম|

মধু শরীরকে রিলাক্স করে, মনকে প্রফুল্ল রাখতে সাহায্য করে এবং সহজে ঘুম আনতে সাহায্য করে
মধু একটি প্রাকৃতিক এন্টি বায়োটিক, যা শরীরের সমস্ত ক্ষতিকর bacteria কে মেরে ফেলে infection দূর করে | ফলে শরীরের কাজ করার প্রণালী উন্নত হয়, এবং হেলদি থাকে
মধু হজমে সহায়ক | তাই বেশি খাবার খাওয়ার পরে অল্প মধু খেতে পারেন
মধু ফ্যাট কমায়, ফলে ওজন কমে
মধু natural sweetener| তাই মধু সহজে হজম হয়|
চোখের জন্য ভালো
গলার স্বর সুন্দর করে
শরীরের ক্ষত দ্রুত সারায়
ulcer সারাতে সাহায্য করে

বিভিন্ন রকম রোগ সারায়
নালী গুলো পরিষ্কার করে
ঠান্ডা লাগলে, জ্বর, গলা ব্যাথায় ভালো ওষুধ হিসাবে কাজ করে
মধু Anti-oxidant| ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে| ত্বকের ভাজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে|
বুদ্ধিবৃত্তি বাড়ায়
শরীরের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায় ও তারুণ্য বাড়ায় |

লেবুর উপকারিতা:

লেবুতে আছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন সি, যা antiseptic ও ঠান্ডা লাগা প্রতিরোধ করে
এছাড়া লেবুতে থাকে Calcium, Potassium, Phosphorus, Magnesium , যার কারণে হাঁড়, ও দাঁত শক্ত হয়
লেবুর এই উপাদান গুলো টনসিল ও urine infection প্রতিরোধ করে
এছাড়া লেবুর ভিটামিন সি ক্যান্সারের সেল গঠন প্রতিরোধ করে
লেবু বুক জ্বালা, ulcer সারাতে সাহায্য করে
Arthritis এর রোগীদের জন্য ভালো |কারণ লেবু diuretic |

লেবু শরীরের ক্ষতিকর bacteria গুলোকে ধবসংশ করে
লেবু antioxidant ও anti-aging
তাই ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধির পাশাপাশি ত্বক পরিষ্কার রাখে, Acne দূর করে| ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে| Black heads ও ত্বকের ভাজ পড়া কমায়
লেবু ওজন কমাতে সাহায্য করে
লেবু হজমে সহায়ক ও হজমের সমস্যা দূর করে
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
শরীরের ভিতরের toxin দূর করে, অন্ত্র নালী, Liver ও পুরা শরীরকে পরিষ্কার রাখে
পেট ফুলা (bloating) ও flatulence এর সমস্যা কমায়
রক্ত পরিশোধন করে
ঠান্ডা লাগলে, জ্বর, গলা ব্যাথায় ভালো ওষুধ হিসাবে কাজ করে|
শ্বাস কষ্ট ,হাপানি হলে ভালো কাজ করে|
শ্বাস নালীর ও গলার infection সারাতে সাহায্য করে

কখন খাবেন?

সাধারণত সকালে উঠেই প্রথম পানীয় হিসাবে খালি পেটে এটি খাওয়া হয়| এর কিছুক্ষণ পরে সকালের নাস্তা খেতে পারেন|
সাবধানতা :

যাদের gastric এর সমস্যা আছে তারা অবশ্যই এটি খালি পেটে খাবেন না | কারণ লেবু acidic| তাই ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করে এটি খাবেন|
তাছাড়া লেবুর acid দাঁতের enamel এর জন্য ক্ষতিকর, তাই এই পানীয় খাবার সাথে সাথে কুলি করবেন, অথবা পানি খাবেন|

একটা কথা মনে রাখবেন, ওজন কমানোর জন্য এই পানীয় শুধুই সহায়ক মাত্র| সম্পূর্ণ ওজন কমানোর প্রক্রিয়াতে অবশ্যই থাকবে হেলদি ডায়েট।

মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০১১

ওজন কমাতে জেনে নিন

অতিরিক্ত ওজনের কারণে শুধু পায়ের ব্যথা কেন ?
ফুড রিলেটেড ক্রনিক ডিজিজ গুলো হলো:
(১) ডায়াবেটিস (২) উচ্চরক্তচাপ (৩) ডিসলিপেডিমিয়া: (ক) রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য (খ) রক্তে ট্রাইগিস্নসেরাইডের আধিক্য। (৪) ফ্যাটি লিভার (৫) হূদরোগের ঝুকি বেড়ে যাওয়া (৬) পায়ের ব্যথা, হাঁটুর ব্যথা, কোমড়ের ব্যথা। (৭) মহিলাদের মাসিকের সমস্যা (৮) ক্যান্সার বিশেষ করে মহিলাদের ব্রেষ্ট ক্যান্সার এর জন্য ওবেসিটি একটি কারণ (৯) দাম্পত্য সমস্যা (১০) অতিরিক্ত ওজন মহিলাদের বন্ধ্যাত্ব ও শ্বাসকষ্টের অন্যতম কারণ (১১) শরীরে ফাটা দাগ এবং অতিরিক্ত ওজন একজন নারী অথবা পুরুষের বাহ্যিক সৌন্দ্যকে নষ্ট করে। আত্ববিশ্বাস কমিয়ে, মানষিক চাপ বৃদ্ধি করে।

ওজন কমানোর জন্য প্রত্যেককে কিছু নিয়ম মানতে হবে
১) নিজের ইচ্ছা বা আগ্রহ (২) রোগ প্রতিরোধের আগ্রহ (৩) রোগের ভয়াবহ পরীনতি সম্পর্কে জানার আগ্রহ (৪) ওজন কমানোর সঠিক পদ্ধতি বেছে নেয়া (৫) হাঁটার অভ্যাস আয়ত্ব করা (৬) খাদ্যের পুষ্টিমূল্য সম্পর্কে সাধারণ ধারণা নেয়া (৭) নিজের সৌন্দর্য বোধ সম্পর্কে সচেতন হওয়া

ওজন কমাতে সর্তকতা:প্রত্যেকের ওজন উচ্চতা, লিঙ্গ, বয়স, শারীরিক অবস্থা, পেশাগত অবস্থা, রক্তের বিভিন্ন উপাদানের তারতম্যের পার্থক্য, দির্ঘ মেয়াদী বিভিন্ন রোগ যেমন
১) ডায়াবেটিস (২) উচ্চরক্তচাপ (৩) হূদরোগ (৪) কিডনি রোগ ইত্যাদি তারতম্যের ভিত্তিতে প্রত্যেকের খাদ্য তালিকা হবে ভিন্ন। একজনের খাদ্যতালিকা অন্যজনের জন্য বিপদের কারণ হতে পারে। তাই এ অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে। তানা হলে একটুখানি অসর্তকতা সারা জীবনের কান্না হতে পারে। ওজন কমাতে "ব্যালেন্স এবং ডায়েট" একথা ভূলে গেলে চলবে না।

আপনার খাদ্য তালিকায় ৬টি পুষ্টি উপাদানের সমন্বয় থাকতে হবে:
 (১)প্রোটিন (২) ফ্যাট (৩) কার্বোহাইড্রেট (৪) ভিটামিনস (৫) মিরা রেনাস (৬) পানি।

এদের যে কোন একটি বাদ পড়ে গেলে শরীরে পুষ্টির অভাব হবে। স্বল্প ব্যয়ে, কোন রকম পাশর্্বপ্রতিক্রিয়া ছাড়া সর্বোচ্চ নিশ্চয়তায় ওজন কমানোর সূত্র হলো: (১) নিজের ১০০% ইচ্ছা (২) ধৈর্য্য (৩) ওজন কমানোর খাদ্য পরিকল্পনা অর্থাৎ ডায়েট চার্ট (৪) হাঁটা (৫)খাদ্যনির্দেশনা।

অতিরিক্ত ওজন নিয়ে দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। শুধু দরকার উপরোক্ত ৫টি পদক্ষেপ।