মাইগ্রেন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মাইগ্রেন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৪

মাইগ্রেইনের তীব্র মাথাব্যথা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ৭ টিপস


মাইগ্রেইনের মাথাব্যথা কতোটা যন্ত্রণাদায়ক হতে পারে, তা ভুক্তভোগী মাত্রই বোঝেন। মানসিক চাপ, তীব্র দুর্গন্ধ, হরমোন পরিবর্তন, খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন বা ধূমপানের নেশা এবং এ ধরনের বহুবিধ কারণে মাইগ্রেইনের মাথাব্যথা হতে পারে। নিচে মাইগ্রেইন নিয়ন্ত্রণের ৭টি গুরুত্বপূর্ণ টিপস দেয়া হলো:
১) কোন বেলার খাবার বাদ দেবেন না: পুষ্টির অভাবে মাথাব্যথা চরম আকার ধারণ করতে পারে। ব্যস্ত রুটিনের মধ্যে আপনার দিনটি কাটলেও, সারা দিন স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস করুন। সকালবেলার নাস্তাটা সময়মতো করুন। ৩ বেলার প্রধান খাবারের সময়টা ঠিক রাখুন। ভরপেট

সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৩

মাইগ্রেন!

কথায় কথায় মাইগ্রেন!হঠাৎ অসহ্য তীব্র মাথাব্যথার অন্য নাম মাইগ্রেন। দৈনন্দিন জীবনে যেসব অসুখ মুহূর্তের মধ্যে সুখ কেড়ে নিতে পারে তার মধ্যে অন্যতম মাথাব্যথা। এই যন্ত্রণা খুব সহজেই আপনার কর্মচাঞ্চল্য কিংবা উচ্ছলতাকে বিনষ্ট ও বাধাগ্রস্ত করে মুহূর্তের মধ্যে স্থবির করে ফেলতে পারে।

বারবার আঘাত হানা এই মাইগ্রেন নিয়ে অনেকের রয়েছে বিভিন্ন ধরনের ভ্রান্ত ধারণা ও দুশ্চিন্তা। আর দুশ্চিন্তার কারণও আছে। মাথাব্যথার জন্য টিউমার থেকে শুরু করে চোখের নানা সমস্যা, সাইনাসের ইনফেকশন, উচ্চরক্তচাপ, এমনকি সাধারণ টেনশনও দায়ী হতে পারে। সমস্যাটি যদি মাইগ্রেন বলে শনাক্ত করা যায় তখন এ নিয়ে দুশ্চিন্তার কিছু নেই। মাইগ্রেন চিরতরে নির্মূল করা যায় না, চিকিৎসায় এর প্রকোপ কমিয়ে বা নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়- এটাই আশার কথা।
মাইগ্রেন কি : এটি এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা, যেটি প্রায়ই আঘাত হানে।

বুধবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

মাইগ্রেইন


যারা মাঝে-মধ্যেই মাথাব্যথার সমস্যায় ভোগেন কিংবা বিশেষ করে যাদের মাইগ্রেনের মতো তীব্র মাথাব্যথার সমস্যা রয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে তাদের সামনে কোন পথ খোলা থাকে না। হাল্কা, মাঝারি থেকে তীব্র মাত্রার ব্যথায় ভোগেন তারা। কোন কিছুতেই সে ব্যথা উপশম হয় না কোন কোন সময়। হয়তো ওষুধও একটা পর্যায়ে গিয়ে আর সেভাবে কাজ করে না। ডোজ বাড়াতে বাধ্য হন চিকিৎসকরা। কিন্তু, সেটা শরীরের জন্য নিকট ভবিষ্যতে ভয়াবহ বিপর্যয় বয়ে আনতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পুরুষদের চেয়ে মাইগ্রেনের সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হন নারীরা। মানসিক দুশ্চিন্তা বা চাপ মাইগ্রেনের জন্য দায়ী কিনা, তা জানতে তো একের পর এক গবেষণা পরিচালিত হচ্ছে

সোমবার, ৩০ মে, ২০১১

মেডিটেশন মাথা ব্যথা ও মাইগ্রেন নিরাময়ে অব্যর্থ

মাইগ্রেন এক ধরনের মাথাব্যথা যা অত্যন্ত কষ্টদায়ক। শতকরা প্রায় ২০ ভাগ লোক কোন না কোন সময়ে এই ধরনের মাথাব্যথায় ভূগে থাকেন। মাইগ্রেন মাথাব্যথার সঠিক কারণ আজ পর্যন্ত খুঁজে পাওয়া যায়নি তবে, বলা হয়ে থাকে যে, ব্রেনের ভিতরে রক্তবাহী নালীসমূহ কোন কারণে সংকুচিত হয়। এটা হলে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলের তারতম্যের জন্যই এই প্রচণ্ড ধপ ধপ করে মাথাব্যথা শুরু হয়। অনেক সময় বমি না হওয়া পর্যন্ত এই ব্যথা কমে না। যাদের মাইগ্রেন নেই তারা ধারনাও করতে পারবেন না কতটা কষ্টদায়ক এই রোগ।




মাইগ্রেন কথাটির অর্থ আধা মাথা ব্যথা। আমেরিকাতে কাজ থেকে ছুটি নেওয়ার সব চেয়ে বড় কারণ মাইগ্রেন। ক্যানসারের মতো ঘাতক ব্যাধিতে মৃত্যুটাই কষ্টের বিষয় নয়, মূল কষ্ট রোগীর দীর্ঘ যন্ত্রণা। শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই এখন প্রতিবছর ১০০ মিলিয়নের চেয়ে বেশি রোগী অ্যাকিউট বা ক্রনিক অর্থাৎ দীর্ঘস্থায়ী ব্যথায় ভোগে। ব্যথানাশক হিসেবে শক্তিশালী নারকোটিক মরফিন বা প্যাথিড্রিন ব্যবহার করেও কাজ হচ্ছে না, বরং যন্ত্রণা হয়ে পড়ছে সর্বগ্রাসী, এ নজির এখন ভূরি ভূরি।

শুধু শারীরিক যন্ত্রণা কমানোর লক্ষ্যে অনেকে আত্মহত্যা পর্যন্ত করে বসে, পরিবার হয় সম্পদ হারিয়ে সর্বস্বান্ত। আবার ব্যথানাশক যেকোনো ড্রাগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও বিস্তর। অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায়, সেগুলো ধীরে ধীরে মানসিক ও দৈহিক ক্ষমতাকে করে তোলে বিকল, স্থবির, নেশাগ্রস্ত।
ডাক্তারদের মতে মাইগ্রেন এর চিকিৎসায় প্রথমেই বুঝতে হবে যে,কারো মাইগ্রেন থাকলে কোন ওষুধে এই রোগ সম্পূর্ণ নিরাময় করা সম্ভব নয়। যাদের মাইগ্রেন মাথাব্যথা থাকে, সারাজীবনই কোন না কোন সময়ে কোন না কোন কারণে এই এই অসুখ আবার শুরু হতে পারে।

আসলে সুখের অভাবই অসুখ। মনে সুখের অভাব হলেই তার প্রভাব পড়ে দেহে। মনের দুঃখ কষ্ট ক্ষোভ হতাশা গ্লানি জমে তা শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ব্যথা বেদনারূপে প্রকাশ পায়। ব্যথা বেদনার বেশিরভাগই মনোদৈহিক। মাথাব্যথা, মাইগ্রেন, ব্যাকপেইন, বাত ব্যথাসহ ক্রনিক রোগগুলোর অবস্থাও তা-ই।

মেডিটেশনে এলে মনের ভেতর থেকেই অপ্রয়োজনীয় এ জঞ্জালগুলো বেরিয়ে যায়। বইতে শুরু করে নিরাময়ের সুবাতাস।
মেডিটেশনের ওপর প্রথম পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা যায়, গভীর মেডিটেশনের সময় একদল ধ্যানীর দেহে স্টিলের সুই ঢুকিয়ে দিলেও তাদের দেহে কোনো ব্যথাবোধ হয় নি। তারপর থেকে গত ৩ দশক ধরে মেডিটেশনের ওপর পরিচালিত অনেকগুলো গবেষণার মধ্য দিয়ে এ সত্যটিই ফুটে উঠেছে যে সব ধরনের ব্যথা নিরাময়ে ( মাথাব্যথা, মেরুদণ্ডে ব্যথা, পেটে ব্যথা, পেশিতে ব্যথা, গিঁটে গিঁটে ব্যথা, অপারেশন পরবর্তী ব্যথা, ঘাড়, হাত ও পায়ে ব্যথা, পিরিয়ড পূর্ব যন্ত্রণা) মেডিটেশন অব্যর্থ।

আমেরিকার বিখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী প্রিভেনশন-এর জুন ১৯৯৭ সংখ্যায় সারাদেশে পরিচালিত এক জরিপের ফলাফলে বলা হয়, ২৭% আমেরিকান শিথিলায়ন করে ব্যথা কমান আর ২৩% আমেরিকান জানান যে, ডাক্তার তাদেরকে পেইনকিলারের পরিবর্তে শিথিলায়ন করার পরামর্শ দিয়েছেন।

গভীর মাথা ব্যথা ও মাইগ্রেন নিরাময়ে মেডিটেশন অব্যর্থ । দেহে ব্যথার অনুভূতি কমায়। জার্নাল অফ দি আমেরিকান মেডিকেল এসোসিয়েশন-এর জুলাই ২৪-৩১, ১৯৯৬ সংখ্যায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয় যে, গভীর শিথিলায়ন বা মেডিটেশন পেইনকিলার ও সার্জারির মতোই দ্রুত ক্রনিক ব্যথা থেকে মুক্তি দিতে পারে। সার্জারি ও পেইনকিলারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকলেও কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই শিথিলায়ন বা মেডিটেশনের।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেলথ-এর বাঘা বাঘা ডাক্তারদের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ প্যানেল এটি ঘোষণা করেন। এর মধ্য দিয়েই যুক্তরাষ্ট্রে প্রথমবারের মতো প্রথিতযশা চিকিৎসাবিদরা সরকারিভাবে শিথিলায়নকে কোমর ব্যথা, মাথাব্যথা বা মাইগ্রেন, আর্থ্রাইটিস, ব্যাকপেইন, পেশির ব্যথা, পায়ের ব্যথা, মহিলাদের মাসিকের সময়ের ব্যথা ইত্যাদি ক্রনিক ব্যথা নিরাময়ে কার্যকর প্রক্রিয়া হিসেবে স্বীকৃতি দিলেন।

১৯৭৯ থেকে ১৯৯৫ সাল পর্যন্ত ইউনিভার্সিটি অফ ম্যাসাচুসেটস-এর মেডিসিনের অধ্যাপক ডা. জন কাবাত জিন তার বিখ্যাত স্ট্রেস রিডাকশন ক্লিনিকে ১৪ হাজারেরও বেশি রোগীকে ওষুধ ছাড়াই ব্যথা নিরাময়ে সাহায্য করেন। রোগীদের অধিকাংশই ক্যান্সার, এইডস বা ক্রনিক ব্যথায় আক্রান্ত ছিলেন। এমনকি জন কাবাত জিনের তত্ত্বাবধানে দুরারোগ্য চর্মরোগ সোরায়াসিসে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও চিকিৎসার সময় মেডিটেশন করে ভালো হয়েছেন অন্যদের তুলনায় ৪ গুণ বেশি হারে।

কোয়ান্টাম মেথডের ৪ দিনের কোর্সে অধিকাংশ মহিলা আসেন শুধুমাত্র শারিরীক সমস্যা এবং ব্যথা নিরাময়ের জন্য। নিরাময় হয়ও। আপনি নিজেও মেডিটেশন শিখে পরীক্ষা করতে পারেন। ব্যথায় মেডিটেশন এর সাফল্য ১০০%। 

রবিবার, ২৯ মে, ২০১১

মাইগ্রেনে করণীয়

প্রচণ্ড ও ঘন ঘন মাথাব্যথাসংক্রান্ত (অনেক সময় মাথার এক পাশে ব্যথা) একটি রোগের নাম মাইগ্রেন। ব্যথা চার থেকে ৭২ ঘন্টা স্খায়ী হতে পারে। রোগীর বমি বমি লাগতে পারে, তীব্র আলো বা শব্দেও অস্বস্তি লাগতে পারে। বংশগত কারণে এটি বেশি হয়ে থাকে। জীবনযাপনপদ্ধতি পরিবর্তনে মাইগ্রেন থেকে রক্ষা পাওয়া যেতে পারে। অনেক সময় কোনো কোনো খাবার বা কাজের কারণে ব্যথা বাড়ে। এটি এড়াতে হবে। বিশেষ করে খাবার ও ঘুমে যাতে ব্যাঘাত না হয় সে দিকে খেয়াল রাখতে হবে। তবে অতিরিক্ত ঘুমানো চলবে না। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। 

শনিবার, ৫ মার্চ, ২০১১

মাইগ্রেন

মাইগ্রেন বা বিশেষ ধরনের মাথাব্যথাকে আমরা খুব মামুলি একটা রোগ মনে করে তেমন একটা গুরুত্ব দেই না। অনেকেই ছোটবেলা থেকে মাইগ্রেন সমস্যায় ভোগার পরও কোনো চিকিৎসককে এ সম্পর্কে জানানোর প্রয়োজনবোধ করেন না। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে, ১৭ শতাংশ নারী ও ছয় শতাংশ পুরুষ মাইগ্রেন সমস্যায় আক্রান্ত। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, মাইগ্রেন পুষে রাখলে স্ট্রোক হওয়ার সমূহ আশঙ্কা থাকে। সাধারণত মস্তিষ্কের চারপাশে থাকা ধমনিগুলো স্ফীত হয়ে ওঠার কারণেই এ সমস্যা হয়। এতে মস্তিষ্কের ভেতরে থাকা ধমনিগুলোর স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড বিঘিíত হয়। ফলে রক্ত চলাচলে বিঘí সৃষ্টি হয় ও এক ধরনের কম্পন দেখা দেয়। যারা মাইগ্রেনে ভোগেন, অ্যাসপিরিন জাতীয় ট্যাবলেট সব সময় ব্যবহার করতে পারেন। এত স্ফীত ধমনিগুলোর প্রাথমিক সমস্যা দূর হবে। তবে আপনাকে অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসক দ্বারা এর প্রতিকার গ্রহণ করতে হবে। তাদের পরামর্শ ছাড়া এর চিকিৎসা একেবারেই করতে যাবেন না এবং মাইগ্রেনকে কখনোই হালকাভাবে নেবেন না। মনে রাখবেন এটা স্ট্রোকের অন্যতম প্রধান কারণ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ জন্য হরমোন থেরাপিরও প্রয়োজন পড়তে পারে।