অ্যালার্জি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অ্যালার্জি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৪

অ্যালার্জি

কথায় কথায় অ্যালার্জি, চোখ চুলকালে চোখের অ্যালার্জি, নাক চুলকালে নাকের অ্যালার্জি, চামড়ায় চুলকাতে থাকলে এবং তার সঙ্গে চাক চাক হলে ত্বকের অ্যালার্জি, দীর্ঘদিন ধরে খুসখুস কাশি থাকলে ওষুধে না কমলে এবং ধুলাবালি বা ফুলের রেণুর সংস্পর্শে বেশি হলে তাকে অ্যালার্জিক কাশি বলে থাকে। অ্যালার্জির উপসর্গ কমাতে হলে অ্যালার্জির কারণ জানতে হবে এবং অ্যালার্জির কারণজানার জন্যই দরকার অ্যালার্জি টেস্ট বা অ্যালার্জি পরীক্ষা-নিরীক্ষা।
টেস্টের প্রয়োজন কেন : রোগীর অ্যালার্জির সঠিক চিকিৎসা করতে হলে
চিকিৎসককে প্রথমে জানতে হবে ঠিক কোন জিনিসটির দ্বারা অ্যালার্জি সংঘটিত হচ্ছে। অ্যালার্জি টেস্ট সঠিক এবং প্রত্যক্ষভাবে নির্ধারণ করে দেয় যে,

শনিবার, ১০ মে, ২০১৪

গাছ-ফুল বা লতায় অ্যালার্জি থাকলে কী করবেন


 নানা রকম গাছ-গাছালি-লতা-পাতায় অনেকেই অ্যালার্জিতে ভোগেন। একটি জরিপে দেখা যায়, ৩৫ মিলিয়ন আমেরিকানের এ ধরনের অ্যালার্জির কারণে জ্বর বা পলেন অ্যালার্জি হয়ে থাকে। চিকিৎসকরা বলেন, সাধারণত গাছে নতুন পাতা গজানোর সময় অর্থাৎ বসন্তকালে এসব অ্যালার্জি দেখা দিলেও সারা বছরই এর ব্যাপ্তি রয়েছে। এসব অ্যালার্জি ভয়ঙ্কর অবস্থাতেও চলে যেতে পারে। এর জন্য রীতিমতো রক্ত পরীক্ষা করে অ্যালার্জির ধরন চিহ্নিত করে নিতে হয়।

যারা গাছপালা ভালোবাসেন বা বাসা-বাড়িতে টবে গাছ লাগিয়ে সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ করতে ভালোবাসেন তাদের প্রায়ই অ্যালার্জিঘটিত সমস্যায় পড়তে হয়। আমাদের দেশেও সম্প্রতি বিদেশি নানা গাছ ও ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ মানুষ বাসা-বাড়ি ও অফিসে ব্যবহার করেন। নিচে ছবির মাধ্যমে অ্যালার্জির উদ্রেক

সোমবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১২

অ্যালার্জি সমস্যা


সচরাচর নির্দোষ বলে গণ্য কোনো জিনিসের কারণে যদি শরীরে রি-অ্যাকশন হয়, তবে তাকে অ্যালার্জি বলা হয়। যেসব দ্রব্য অ্যালার্জি সৃষ্টি করে তাকে বলা হয় অ্যালার্জেন বা অ্যান্টিজেন এবং এসব দ্রব্য দেহে প্রবেশের ফলে দেহের অভ্যন্তরে যে দ্রব্য সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় অ্যান্টিবডি। অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি পরস্পর মিলিত হলে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডি বিক্রিয়া। শীত আর বসন্তের সময়

শনিবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০১২

অ্যালার্জি সমস্যায় করণীয়

সচরাচর নির্দোষ বলে গণ্য কোনো জিনিসের কারণে যদি শরীরে রি-অ্যাকশন হয়, তবে তাকে অ্যালার্জি বলা হয়। যেসব দ্রব্য অ্যালার্জি সৃষ্টি করে তাকে বলা হয় অ্যালার্জেন বা অ্যান্টিজেন এবং এসব দ্রব্য দেহে প্রবেশের ফলে দেহের অভ্যন্তরে যে দ্রব্য সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় অ্যান্টিবডি। অ্যান্টিজেন ও অ্যান্টিবডি পরস্পর মিলিত হলে যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয় অ্যান্টিজেন-অ্যান্টিবডি বিক্রিয়া।

রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০১১

ঠাণ্ডা পানিতে এলার্জি হয়

এলার্জি নানা ধরনের হয়ে থাকে। এক ধরনের এলার্জি রয়েছে যার জন্য দায়ী পানি। সেই পানি শরীরে লাগলে ভীষণ চুলকায় এবং শরীর লাল হয়ে ওঠে। চিকিত্সা বিজ্ঞানের ভাষায় একে অ্যাকুয়াজেনিক আর্টেকোরিয়া বলে। বাংলায় বলে পানিজনিত এলার্জি ।
চিকিত্সা বিজ্ঞানীরা বলছেন, পানির সংস্পর্শে আসার পর ত্বকের উপরিভাগ থেকে এক ধরনের প্রোটিন পানিতে দ্রবীভূত হয়ে শরীরে ঢুকে এন্টিবডি তৈরি করে এবং এর ফলে দেহে চুলকানিসহ বিভিন্ন উপসর্গ দেখা যায়। বিচিত্র এই এলার্জির মূল কারণ পানি। তবে সাধারণভাবে ঠাণ্ডা পানির কারণে এই অসুখ বেশি হয় । কিন্তু তার অর্থ এই নয়, গরম বা উষ্ণ পানি ব্যবহার করলে এই রোগ হবে না।
শরীরের যে কোনো অংশ বা অঙ্গ পানির সংস্পর্শে আসার পর ১০ থেকে ১৫ মিনিটের মধ্যে দেহে এলার্জির উপসর্গ দেখা দিতে পারে। তবে এতে ভয়ের কিছু নেই। এমনিতেই ওই এলার্জি ভালো হয়ে যায়।
চিকিত্সকরা বলছেন, পানির সংস্পর্শে এলে যাদের অসুবিধা দেখা দেয়া বা এলার্জির লক্ষণ দেখা দেয় তারা গোসল করার আগে সারা শরীরে তেল মেখে নিতে পারেন। তাতে এ এলার্জির প্রকোপ হ্রাস পাবে। এছাড়া চিকিত্সকের পরামর্শ নিয়ে এলার্জি প্রতিরোধক কোনো ওষুধও খাওয়া যেতে পারে। যাদের উষ্ণ পানির বদলে ঠাণ্ডা পানি ব্যবহার করলে অসুবিধা দেখা দেয় তারা তা ব্যবহার থেকে বিরত থাকবেন। উষ্ণ পানি ব্যবহার করবেন।
এছাড়াও পানি যদি মিষ্টি না হয়ে নোনা হয় তাহলে এলার্জির প্রকোপ তীব্র হতে পারে। তাই যতটা সম্ভব নোনা বা এ জাতীয় পানির ব্যবহার বন্ধ করতে হবে। প্রয়োজন মতো পানির বিকল্প ব্যবহার করতে হবে।

শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১

হেলথ টিপস : আপনার কি ফুড অ্যালার্জি আছে

আমাদের অনেকেরই ফুড অ্যালার্জি আছে এবং এতে আক্রান্তদের উচিত খাবারে বেশ সাবধানতা অবলম্বন করা। তবে সেটা না জেনে কেউ যদি খাবার গ্রহণে কড়াকড়ি করেন, তবে তার জীবন অযথাই বেশ কঠিন হয়ে পড়তে পারে। তাই এ ব্যাপারে পুষ্টিবিদের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। একেক জনের একেক খাবারে অ্যালার্জি থাকতে পারে। কারো নারকেলে অ্যালার্জি থাকলে তার গোশতে তা না থাকার সম্ভাবনাই বেশি। এক জরিপে দেখা গেছে, পূর্ণ বয়স্কদের মধ্যে মাত্র দুই শতাংশ ও কিশোরদের আট শতাংশ ফুড অ্যালার্জিতে ভোগে। ফুড অ্যালার্জি নির্ধারণের সহজ উপায় হলো, আপনি যেসব খাবার নিয়ে সন্দেহ করেন, সেগুলো পুরোপুরি বাদ দিন, এবার আপনার সমস্যা হয় কি না তা লক্ষ করুন। দ্বিতীয় পন্থা হলো, আপনি চ্যালেঞ্জটি গ্রহণ করুন এবং যে যে খাবারে অ্যালার্জি আছে বলে মনে করছেন, সেগুলো একবারে একটি করে বেশি বেশি গ্রহণ করুন। প্রতিক্রিয়া সহজেই বুঝতে পারবেন। তৃতীয় পন্থা হিসেবে স্কিন অ্যালার্জি টেস্ট করাতে পারেন