ঠোঁট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ঠোঁট লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১১

ঠোঁট যখন কালো

যেকোনো সমস্যায় যদি কোনো গোড়া থেকেই সমাধান করা যায় তা হলে সেটা আর ফিরে আসে না। ঠিক তেমনি আপনার কালো ঠোঁটের ঝামেলা থেকে নিজেকে মুক্ত করার জন্য একেবারে শুরু থেকেই সতর্ক হওয়া উচিত। বিশ্রী কালো ঠোঁটের জন্য একেবারে আপনার স্বাভাবিক সৌন্দর্যের ঘটে ব্যাপক পরিবর্তন। তাই এর জন্য কিছু সমাধান রইল আপনাদের জন্য।
কী কী কারণে ঠোঁট কালো হয়
**   অত্যাধিক ধূমপান
**   বেশি চা-কফি খাওয়া
**   কম দামের লিপস্টিক বা অন্য অন্য প্রোডাক্ট ব্যবহার করা
**   রোদে পোড়া
**   সঠিক ময়েশ্চাইজেশনের অভাবে।
এবার পরামর্শ
**   যদি চেইন স্মোকার হয়ে থাকেন প্রথমেই সিগারেট খাওয়া ছাড়েন দিনে দু’বারের বেশি চা-কফি খাওয়া উচিত নয়।
**   দিনে কমপক্ষে আট গ্লাস পানি অবশ্যই খাওয়া উচিত।
**   লেবুর রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে ঠোঁটে লাগাতে পারেন। ধনেপাতার রসও ঠোঁটের কালোভাব দূর করে।
**   ময়েশ্চারাইজারের কারণে যাদের ঠোঁট কালো হয় তারা রাতে ঘুমুতে যাওয়ার আগে গ্লিসারিন অথবা আমন্ড তেল মিশিয়ে ঠোঁটে লাগাতে পারেন।
**   দু-চামচ লেবুর রসের সঙ্গে নারকেল তেল, তিন ফোটা লেবুর রস ও এক চামচ মৌমাছির মোম মিশিয়ে একটি মিশ্রন তৈরি করতে পারেন এবং তা ব্যবহার করতে পারেন।
**   একটা লেবুর অর্ধেকটা কেটে তার উপর দু’ফোটা মধু ফেলে বৃত্তাকারে ঠোঁটে ম্যাসাজ করুন।
**   সকালে দাঁত ব্রাশ করার সময় ঠোঁটও ব্রাশ করে নিতে পারেন।

মঙ্গলবার, ২৬ এপ্রিল, ২০১১

ঠোঁটের পরিচর্যা



ঠোঁট হবে আকর্ষণীয়, এটাই সবার কাম্য। কিন্তু ঠোঁট শুষ্ক হয়ে যাওয়ায় চামড়া ওঠা, ফাটাভাব ও কালচে হওয়া খুবই নিয়মিত সমস্যা। ঠোঁট মিউকাস মেমব্রেন দ্বারা আবৃত। ঠোঁটের ত্বক খুবই নরম ও সেনসেটিভ। ঠোঁটে কোনও তেলগ্রন্থি' থাকে না। তাই বাইরের আবহাওয়া থেকে নিজেকে রক্ষা করা ঠোঁটের জন্য বেশ কঠিন। ঠাণ্ডা-গরম, সূর্যরশ্মি, দূষণ সবই ঠোঁটের জন্য ক্ষতিকর। এছাড়া ঠোঁট কামড়ানো বা জিভ দিয়ে ঠোঁট বারবার ভেজানোও ক্ষতিকর।


অপ্রয়োজনীয় প্রসাধন
অপ্রয়োজনীয় প্রসাধন ঠোঁটকে শুষ্ক করে তোলে। সাময়িক সৌন্দর্যের জন্য প্রয়োজনীয় প্রসাধন ব্যবহার করবেন না।


টুথপেস্ট
টুথপেস্ট আমাদের ঠোঁটের সংস্পর্শে আসে দু’বেলা। তাই যথাযথ টুথপেস্ট ব্যবহার না করলে ঠোঁটের ক্ষতি হতে পারে।


লিপস্টিক
লিপস্টিকের কারণে ঠোঁটে অ্যালার্জি ও ঠোঁটের ক্ষতি হতে পারে। তাই আপনার ঠোঁটে যে কোম্পানির লিপস্টিক কোনও প্রতিক্রিয়া করবে না, সেটাই ব্যবহার করুন। প্রয়োজনে দামী কোম্পানির লিপস্টিক ব্যবহার করা ভালো।


লিপ বাম ও চ্যাপস্টিক
ফাটা ঠোঁটের জন্য লিপ বাম ও চ্যাপস্টিক প্রয়োজন। এটা ঠোঁট কোমল ও মসৃণ করে। তবে অতি সুগন্ধিযুক্ত ও রসযুক্ত চ্যাপস্টিক ব্যবহার না করাই ভালো।


সাবান
ঠোঁটের ত্বক সংবেদনশীল বলেই ঠোঁটে সাবান দেবেন না। চোখের চারপাশ এবং ঠোঁটে সাবান ব্যবহার করলে ক্ষতি হয়।


ধুমপান
ধুমপান ঠোঁটের ত্বকের ক্ষতি করে ও কালচেভাব আনে।


ভিটামিন বি এর অভাব
ভিটামিন বি এর অভাবে ঠোঁট ফেটে যেতে পারে ও ঠোঁটের কোণে ঘা হতে পারে। পুষ্টিকর খাবার খাওয়া প্রয়োজন।


ত্বকের অসুখ
ত্বকের অসুখ যেমন একজিমা, অ্যালার্জি ইত্যাদির কারণেও ঠোঁটের ক্ষতি হতে পারে। এতে চিকিৎসার প্রয়োজন।


শুষ্ক ঠোঁটের যত্ন
ঠোঁট শুষ্ক হওয়ার আগেই তা প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেয়া প্রয়োজন। ইমোলিয়েন্ট, পেট্রোলিয়াম জেলি, কোল্ডক্রিম ইত্যাদি ঠোঁটে ব্যবহার করা প্রয়োজন।
- যথাযথ লিপস্টিকও কিন্তু ঠোঁটের শুষ্কতা প্রতিরোধ করে। তবে এক্ষেত্রে লিপস্টিকের উপাদান সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে। ভিটামিনসমৃদ্ধ ও অয়েলবেসড লিপস্টিক ঠোঁটের জন্য ভালো। তবে লিপস্টিক ব্যবহারে ঠোঁটের ক্ষতি হলে সঙ্গে সঙ্গে তা ব্যবহার বন্ধ রাখুন।
- প্রয়োজনে যে টুথপেস্ট ব্যবহার করছেন তা বদলে ফেলুন। লক্ষ্য রাখবেন, সাদা রঙের টুথপেস্ট সাধারণত ভালো হয় ঠোঁটের জন্য।
- সাবান ও ফেসওয়াশ ঠোঁটে লাগাবেন না।
- সিগারেট খাওয়া থেকে বিরত থাকুন।
- পেট্রোলিয়াম জেলি বা ভেসলিন ব্যবহার করুন। যতক্ষণ বাড়িতে থাকবেন ঠোঁটে ভেসলিন লাগাবেন। এছাড়া সূর্যমুখী তেল ঠোঁটের জন্য খুব ভালো। এটা দিনে কয়েকবার ব্যবহার করতে পারেন। রাতে ভেসলিন লাগাতে ভুলবেন না।
- ঠোঁট বারবার জিভ দিয়ে ভেজাবেন না বা ঠোঁট কামড়াবেন না।
- ঠোঁটের মেকআপ ওঠাবার জন্য তুলোয় ভেসলিন লাগিয়ে আলতো ঘসে তুলবেন। কখনও লিপস্টিক লাগানো অবস্থায় ঘুমাতে যাবেন না।
- ভিটামিন, প্রচুর সবুজ শাক-সবজি ও ফল খাবেন।
- বিশেষ সমস্যা হলে অবশ্যই ত্বক বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন