চোখ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
চোখ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

সোমবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৪

চোখের যে ৯ লক্ষণ হেলাফেলা করবেন না

শরীরের নানা সমস্যা চোখে প্রতিফলিত হয়। চিকিৎসকরা এ কারণে চোখ দেখেই বহু রোগের লক্ষণ নির্ণয় করতে পারেন। এ লেখায় দেওয়া হলো চোখের তেমন ৯টি লক্ষণ। আপনার চোখে যদি এর কোনো একটি লক্ষণও দেখা যায়, তাহলে দেরি করবেন না। দ্রুত ব্যবস্থা নিলে অনেক সমস্যারই সমাধান করা সম্ভব হবে।
১. চোখে ছোট লাল দাগ : চোখের সাদা অংশে যদি বিন্দু বিন্দু রক্ত জমে লাল দাগ তৈরি হয় তাহলে তা অবহেলা করবেন না। এটি হতে পারে ডায়াবেটিসের লক্ষণ। এটি হতে পারে সিডিসির একটি লক্ষণ, যা প্রচুর মানুষের হয়ে থাকে। যদি রক্তের চিনির মাত্রা অনেকখানি বেড়ে যায় তাহলে এটি হতে পারে।
২. রক্ত জমাট বাঁধা : চোখে বিভিন্ন সমস্যার কারণে কিছুটা বড় আকারে রক্ত

বুধবার, ২১ নভেম্বর, ২০১২

চশমা ও কন্ট্রাক্ট লেন্সের ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে ল্যাসিক


Laser Assisted In-Situ Keratomileusis এর সংক্ষিপ্ত নাম হচ্ছে LASIK, যাদের চোখে পাওয়ারজনিত সমস্যার কারণে চশমা বা কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার করতে হয়, তারা ল্যাসিক অপারেশন করিয়ে চশমা বা কন্টাক্ট লেন্সের ঝামেলা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। বিশেষ করে যারা সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে চান কিংবা শোবিজ জগতে প্রতিষ্ঠা পেতে চান তাদের জন্য ল্যাসিক এক সুবর্ণ সুযোগ।

ল্যাসিক কি?
আমাদের চোখের ভেতরে প্রাকৃতিকভাবেই একটি লেন্স থাকে। ক্যামেরা বা টেলিস্কোপের লেন্স সামনে পেছনে সরিয়ে ফোকাস করতে হয়। কিন্তু চোখের লেন্সের ফোকাস করার পদ্ধতিটি ভিন্ন। চোখের লেন্স তার আকার বদলাতে পারে। চোখের পেশীর মাধ্যমে এই আকার বদলানোর কাজটি হয়।

ফলে ফোকাসিং এর মাধ্যমে আমরা কাছের বা দূরের যেকোন জিনিস দেখতে পাই। বিপত্তি ঘটে চোখের এই লেন্সের ফোকাসিং ক্ষমতা কমে গেলে বা বেড়ে গেলে। কাছের বা দূরের বা উভয়ক্ষেত্রেই চোখের লেন্স ব্যবহার করে স্পষ্ট দেখা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

তখন বাইরে থেকে লেন্স ব্যবহার করতে হয় চোখের প্রাকৃতিক লেন্সকে সাহায্য করার জন্য। এটা চশমা বা কন্টাক্ট লেন্স হতে পরে। 

তবে লেজার রশ্নি ব্যবহার করে কর্ণিয়ার কিছু অংশ তুলেও কাজটি করা যায়। নতুন গঠনের কর্ণিয়া লেন্সের সহায়ক হিসেবে কাজ করে। তখন আর চশমা প্রয়োজন হয় না। রোগী চশমা ছাড়াই স্বাভাবিক কাজকর্ম চালিয়ে যেতে পারেন।

কখন এবং কাদের ল্যাসিক অপারেশন করা যায়?
মাইনাস বা প্লাস দু’ধরনের পাওয়ারের ক্ষেত্রেই ল্যাসিক চিকিৎসা দেয়া যায়। 

যেসব ক্ষেত্রে ল্যাসিক অপারেশন করানো যায়:
ক্ষীণ দৃষ্টি বা মায়োপিয়ায় পাওয়ার -২.০০ থেকে -২০.০০ ডায়াপ্টার এর মধ্যে হলে।
দূরদৃষ্টি বা হাইপারমেট্রোপিয়ার ক্ষেত্রে পাওয়ার +২.০০ থেকে +৮.০০ এর মধ্যে হলে।
বিষমদৃষ্টি বা অ্যাসটিগম্যাটিজম এর ক্ষেত্রে পাওয়ার ১.০০ থেকে ৭ ডায়াপ্টার এর মধ্যে হলে।

১৮ বছরের আগে ল্যাসিক অপারেশন করানো উচিত নয়, এসময় চোখের পাওয়ার দ্রুত বদলায়।

যেসব অবস্থায় ল্যাসিক অপারেশন করানো যায় না:
যাদের চোখের পাওয়ার স্থিতিশীল হচ্ছে না, দ্রুত বদলাচ্ছে তাদেরও ল্যাসিক অপারেশন করা হয় না।
রেটিনায় সমস্যা, চোখে গ্লুকোমা, ছানি বা অন্য কোন ভাইরাসজনিত অসুখ থাকলে ল্যাসিক করানো যায় না।
এইচ আই ভি, রিউমাটয়েড, অনিয়ন্ত্রিত ডায়বেটিস, আর্থ্রাইটিস ইত্যাদি রোগ থাকলে ল্যাসিক অপারেশন করানো যায় না।
লেজারের কারণে ভ্রূণের ক্ষতি এড়ানোর জন্য গর্ভবতী মহিলাদেরও ল্যাসিক অপারেশন করা হয় না।

প্রস্তুতি
ল্যাসিক অপ্যারেশনের আগে একট পরীক্ষা করাতে হয়, একে প্রি-ল্যাসিক টেস্ট বলা হয়। রোগীকে আদৌ ল্যাসিক চিকিৎসা দেয়া যাবে কিনা এ পরীক্ষার মাধ্যমে সেটি দেখা হয়।

এ পরীক্ষার আগে কয়েকদিন কন্টাক্ট লেন্স ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হয়।

অপারেশনের দিন সকালে হালকা খাবার এবং ওষুধ (যদি দেয়া হয়ে থাকে) খেয়ে হাসপাতালে যেতে বলা হয়। চোখের মেকআপের জন্য কোন উপকরণ এসময় ব্যবহার করা উচিত নয়।

অপারেশন পদ্ধতি:
কর্ণিয়াকে অবশ করে এ অপারেশন করা হয় বলে রোগী ব্যথা অনুভব করেন না। কর্ণিয়ার একটি পাতলা স্তর তৈরি করে সেটি উল্টে রাখা হয়। এরপর ১৫ থেকে ৬০ সেকেন্ড লেজার প্রয়োগ করা হয়। কিভাবে কতটা সময় লেজার প্রয়োগ করা হবে সেটা পাওয়ারের ওপর নির্ভর করে এবং কম্পিউটারের সাহায্যে তা হিসাব করে নেয়া হয়। পুরো অপারেশনে ১০ মিনিটের মত সময় লাগে। ১৫ থেকে ৩০ মিনিট অবস্থানের পর রোগী হাসপাতাল ত্যাগ করতে পারেন।

প্রথম দিন রোগী কিছুটা ঝাপসা দেখতে পারেন, কয়েকেদিনের মধ্যেই রোগী অপারেশনের কার্যকারিতা বুঝতে পারেন। তবে পুরো ফল পেতে এক মাস লেগে যেতে পারে। ল্যাসিকের সময় এবং পর রোগী দুই-তিন ঘন্টা চোখে কিছুটা ব্যথা ও চাপ অনুভব করতে পারেন। প্রয়োজনে কয়েক বছর পর আবার ল্যাসিক করানো যায়।

অপারেশনের খরচ ও কোথায় করাবেন সে বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে এখানে ক্লিক করুন 

শনিবার, ১৪ জুলাই, ২০১২

জোগ্রেন সিনড্রোম


চোখ শুকিয়ে যাওয়া সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। ব্রিটেনের ফিওনা সিওয়েলের সমস্যা ছিল আরও বেশি। ঘুম থেকে ওঠার পর তার চোখের পাতা দুটো যেন আলাদাই হতে চাইত না। চোখের সাদা অংশ লালচে রঙ ধারণ করত। দৃষ্টিশক্তিও কমে আসছিল দিন দিন। সারা দিনই তাকে ক্লান্ত, অবসন্ন মনে হতো। ওষুধ হিসেবে আই ড্রপও কোনো কাজে লাগছিল না। কিছুদিন পর আরও কিছু উপসর্গ দেখা দিল। মুখ শুকিয়ে আসা, ঢোক গিলতে 

শনিবার, ২৫ জুন, ২০১১

চোখের জ্বালা পোড়া- কারন ও প্রতিকার

চোখের জ্বালাপোড়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে: 
০০ চোখের পানি শুকিয়ে যাওয়া
০০ চোখের অ্যালার্জি
০০ বাতরোগ
০০ চোখের পাপড়ির গোড়ায় প্রদাহ
০০ চোখের অপারেশন
০০ ঘুমের সময় চোখ বন্ধ না হওয়া
০০ চোখের কালমণিতে ভাইরাস সংক্রামন
০০ কালোধূঁয়া , ধুলোবালি চোখে পড়লে
০০ চোখে রাসায়নিক পড়লে যেমন চুন, এসিড ইত্যাদি
০০ চোখে ওষুধের রি্্এ্যাকশন হলে (স্টিভেন জনসন সিনড্রোম)
০০চোখের ড্রপ ব্যবহারেও প্রাথমিক অবস্থায় চোখ জ্বলতে পারে।
  করণীয়:
০০ রাস্তাঘাটের কালো ধুয়া এবং ধুলোবালি থেকে চোখ রক্ষা করার জন্য সানগ্লাস ব্যবহার করুন।
০০ চোখের পানি কমে গেলে দেরী না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে চোখে কৃত্রিম চোখের পানি ড্রপ হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে।
০০ পানি শুকিয়ে ডাওয়ার কারন যেমন বাতরোগ, শোগ্রেন সিনড্রোম ইত্যাদি রোগের চিকিত্সা করাতে হবে।
০০ সালফার জাতীয় ওষুধে যাদের এ্যালার্জী আছে তাদের তা বর্জন করতে হবে।
০০ ডাক্তারের পরামর্শে চোখের অ্যালাজী এবং কর্ণিয়ায় ভাইরাস সংক্রামনের চিকিত্সা করাতে হবে।
০০ চোখের পাপড়ির গোড়ায় প্রদাহ হলে গরম শেঁক এবং অকি্রটেটা সাইক্লিন মলম দারুন কার্যকর।
০০ যাদের ফেসিয়াল পালসি অথবা প্যারালাইসিস আছে তাদেও ঘুমানোর সময় চোখ বন্ধ হয়না। তখন চোখের পানি শুকিয়ে যায়। সেক্ষেত্রে চোখে জেনটিল জেল এবং মলম দিলে জ্বালা পোড়া অনেকাংশে কম হয়।
০০ চোখ বেশীক্ষন বন্ধ রাখলে অনেক ক্ষেত্রে চোখের জ্বালা কমে। সেজন্যে পর্যাপ্ত ঘুমের প্রয়োজন।
০০ চোখে কেমিক্যাল পড়লে সাথে সাথে চোখে বেশী করে পানি দিয়ে অনেকসময় ধরে ধুয়ে ফেলতে হবে। তারপর দেরী না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে।
০০ চোখে ড্রপ দেয়ার কারনে চোখ জ্বললে ভয় পাবেনা। আস্তে আস্তে কমে যাবে। মূল রোগের চিকিত্সা বন্ধ করবেন না। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন। 

শনিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০১১

চোখের যত্নে যা করবেন

চোখের চারপাশের ত্বক খুব পাতলা এবং সংবেদনশীল। ত্বকের তুলনায় চোখের চারপাশেই প্রথম বলিরেখা পড়তে শুরু করে এবং গাঢ় রঙ ধারণ করে। চোখের চারপাশের ত্বকের জন্য তাই বিশেষ যত্নের প্রয়োজন। বলিরেখা ও কালচে হয়ে যাওয়া প্রতিরোধ করাও খুব প্রয়োজন।
সাবান পরিহার করুন। সাবান চোখের চারপাশ কালচে করে। হালকা ফেসওয়াশ ব্যবহার করুন। নিয়মিত চোখের চারপাশে ময়েশ্চারাইজার ক্রিম ব্যবহার না করে চোখের চারপাশে ব্যবহারের জন্য বিশেষ জেল বা ক্রিম পাওয়া যায়, সেগুলো লাগাতে পারেন।
চোখের চারপাশে হালকা সানস্ক্রিন লাগাবেন এবং আলট্রাভায়োলেট রশ্মি প্রতিরোধ করে এমন সানগ্গ্নাস ব্যবহার করবেন।
রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে চোখের চারপাশে আই জেল বা ক্রিম প্রতি রাতে লাগাতে ভুলবেন না।
আই জেল বা ক্রিম আলতো করে আঙুলের ডগা দিয়ে হালকা করে ম্যাসাজ করে চোখের চারপাশে লাগাবেন।
আলফা হাইড্রক্সি, ভিটামিন এ-যুক্ত ক্রিম চোখের চারপাশে লাগালে ত্বক টান টান থাকবে।
আই ফর্মুলাগুলো ফ্রিজে রেখে ঠাণ্ডা করে চোখ বন্ধ করে তুলোয় লাগিয়ে চোখের ওপর ১০ মিনিট দিয়ে রাখতে পারেন।
চোখের মেকআপ
চোখে নানা রকম মেকআপ ব্যবহার করা হয়। কাজল, আইলাইনার, মাসকারা, আইশ্যাডো, আইপেন্সিল_ নানা প্রসাধনী ব্যবহার করে আমরা চোখকে সুন্দর করি, হই লাস্যময়ী। কিন্তু চোখের মেকআপ ব্যবহারের ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন প্রয়োজন। কোনো প্রসাধনী যেন চোখের ভেতর না যায় সে ব্যাপারে লক্ষ্য রাখতে হবে। আর মেকআপ তুলতে হবে অয়েলবেসড ক্লিনজার বা ক্লিনজিং মিল্ক দিয়ে। তুলোয় ক্লিনজিং মিল্ক লাগিয়ে চোখের মেকআপ তুলে ফেলতে হবে। খেয়াল রাখবেন চোখের ভেতর যেন প্রসাধনী না চলে যায়, আর সহজেই যেন মেকআপ উঠে আসে। ঘষাঘষির প্রয়োজন যেন না হয়। কন্ট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করলে প্রথমেই কন্ট্যাক্ট লেন্স খুলে তারপর চোখের মেকআপ তুলতে হবে। নিয়মিত যথাযথ যত্নের মাধ্যমে চোখের কোণের এবং চারপাশের বলিরেখা, চোখের নিচের কালচে দাগ ও কুঁচকে যাওয়ার হাত থেকে রেহাই পেতে পারেন। এ ছাড়া প্রয়োজনমতো ঘুম না হলে ও মানসিক চাপে চোখের নিচে কালি পড়ে। এ ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন।

শুক্রবার, ২১ জানুয়ারি, ২০১১

ভ্রমণে চোখের সুস্থতা

এখন তো বেড়ানোর সময়। দুই চোখ মেলে প্রকৃতির অবাধ সৌন্দর্য উপভোগের অবসর। বেড়াতে গেলে তো ফুর্তিতে থাকবেনই। থাকতে মানাও নেই; কিন্তু চোখের যেন কোনো ক্ষতি না হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। কারণ চোখ অমূল্য সম্পদ। চোখে আঘাত পেলে তো পৃথিবীর রূপ দেখা থেকেই বঞ্চিত হবেন। বাইরে গেলে ধুলোবালি চোখে পড়তে পারে, রোদও লাগে। যাদের অ্যালার্জি আছে তাদের কিন্তু এতে চোখ ভীষণ চুলকায়। চোখ দিয়ে পানিও পড়ে। তাই ভ্রমণে বের হওয়ার আগে সানগ্গ্নাস নিতে ভুলবেন না। বেড়াতে গেলে বিভিন্ন আঘাতের কারণেও চোখের ক্ষতি হতে পারে। গাছের কাঁটা, কাচের টুকরো, মাছের কাঁটা ইত্যাদি থেকে আঘাত লাগতে পারে। সামান্য আঘাত থেকে গুরুতর আঘাত কোনোটিই অবহেলা করা উচিত নয়। চোখের কালো মণিতে আঘাত বেশি ভয়ঙ্কর। সামান্য আঘাত থেকেই সময়মতো চিকিৎসা না করালে অনেক রকম জটিলতা দেখা যায়, যেমন_ চোখের আলসার, চোখে দাগ পড়া, চোখের ইনফেকশন ইত্যাদি। শুধু চোখের কালো অংশই নয়, চোখের সাদা অংশ, চোখের পাতা ইত্যাদি জায়গায়ও আঘাতের অতিসত্বর চিকিৎসা দরকার। প্রয়োজন হলে অপারেশনও অর্থাৎ চোখের পাতাতে সেলাই লাগতে পারে। এ তো গেল সামান্য আঘাত, বেশি আঘাত লাগলে চোখের মণি অনেক সময় ফেটে যায়, যার জন্য অপারেশন প্রয়োজন পড়ে। এটি ঠিক হওয়া অনেক সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। এতে অনেক সময় অপারেশন-পরবর্তী রোগীর চোখের মণিতে দাগ পড়ে এবং রোগী চোখে খুব কম দেখে। আঘাতের পরিমাণ বেশি হলে অপারেশন করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। তাই আঘাতের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
কোনোরকম ড্রপ অথবা ঝাড়ফুঁক দিয়ে এ আঘাতের চিকিৎসা সম্ভব নয়। বেড়াতে গেলে ভ্রমণের আনন্দে অনেক সময় শিশুদের দিকে খেয়াল করা হয় না। তাই তারাও চোখে আঘাত পেতে পারে। এজন্য শিশুদের অবশ্যই সাবধানে রাখা উচিত। ছুরি, কাঁচি, লাঠি, চামচ, ঝাড়ূ ইত্যাদি শিশুদের নাগালের বাইরে রাখা উচিত। শিশুদের আঘাত লাগলে কোনোরকম অবহেলা করা উচিত নয়। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব চক্ষু হাসপাতাল অথবা চক্ষু বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।