এনজিওগ্রাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
এনজিওগ্রাম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ১১ জুন, ২০১১

হৃদরোগ নির্ণয়ে এনজিওগ্রাম

Angioplasty of left common iliac artery এনজিওগ্রাম একটি হৃদরোগ নির্ণয়ের পদ্ধতি। এ পরীক্ষার মাধ্যমে হৃৎপিণ্ডের রক্তনালিতে (করোনারি আর্টারি) কোনো ব্লক বা স্টেনোসিস থাকলে তা নির্ণয় করা যায়। কুঁচকির কাছে ফিমোরাল ধমনীর মাধ্যমে এ পরীক্ষা করা হয়। তবে হাতের রেডিয়াল বা আলনার ধমনীর মাধ্যমেও এনজিওগ্রাম করা হয়। এনজিওগ্রাম করার জন্য রোগীকে অজ্ঞান করার প্রয়োজন পড়ে না। শুধু কুঁচকির কাছে ওষুধ দিয়ে অবশ করা হয়। এটি সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত পরীক্ষা। সাধারণত এনজিওগ্রাম করতে ১০-১৫ মিনিট সময় লাগে। এ জন্য রোগীকে ১২-২৪ ঘণ্টার জন্য হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়। তবে রেডিয়াল বা আলনার ধমনীর মাধ্যমে এনজিওগ্রাম করলে রোগী হাসপাতালে থাকার প্রয়োজন পড়ে না। 
এনজিওগ্রামে যদি রক্তনালিতে ৭০% ব্লক ধরা পড়ে, তবে তা তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশে এনজিওগ্রাম করতে সেন্টার ভেদে ১২ হাজার ৫০০ থেকে ১৭ হাজার টাকা খরচ হয়।
এনজিওগ্রাম যাদের করা হয়
হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত ব্যক্তি, রক্তনালির ব্লক দেখার জন্য ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য এনজিওগ্রাম করা হয়। তা ছাড়া যাদের ইটিটি পজিটিভ হয় অর্থাৎ করোনারি হার্ট ডিজিজ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি তাদেরও এনজিওগ্রাম করা হয়।
এনজিওগ্রাম করার আগে পরীক্ষা
এনজিওগ্রাম করার আগে রোগীর উপযুক্ততা যাচাইয়ের পরীক্ষা করা হয়। রোগীর সিবিসি, বিটি, সিটি, ব্লাড ইউরিয়া, সিরাম ক্রিয়েটিনিন, সিরাম ইলেকট্রলাইট, বুকের এক্স-রে, ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম, এইচবিএসএজি, ভিডিআরএল, অ্যান্টি এইচসিভি, এইচআইভি, ব্লাড গ্রুপিং করা প্রয়োজন।
এনজিওগ্রামে ঝুঁকি
এনজিওগ্রামে অল্প বা বেশি রক্তক্ষরণ হতে পারে। তা ছাড়া কুঁচকির জায়গায় রক্ত জমাট বাঁধতে পারে, বেশি পরিমাণে ব্যথার কারণে ভ্যাসো ভ্যাগাল অ্যাটাক, করোনারি ও পায়ের ধমনীতে ডিসেকশন বা ছিঁড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া রোগীর রক্তচাপ কমে যেতে পারে ও অনিয়ন্ত্রিত হৃদস্পন্দন হতে পারে। তবে আধুনিক কার্ডিয়াক সেন্টারে রক্তপাত ছাড়া অন্য সমস্যাগুলো হয় না বললেই চলে