এনজিওগ্রামে যদি রক্তনালিতে ৭০% ব্লক ধরা পড়ে, তবে তা তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশে এনজিওগ্রাম করতে সেন্টার ভেদে ১২ হাজার ৫০০ থেকে ১৭ হাজার টাকা খরচ হয়।
এনজিওগ্রাম যাদের করা হয়
হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত ব্যক্তি, রক্তনালির ব্লক দেখার জন্য ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার জন্য এনজিওগ্রাম করা হয়। তা ছাড়া যাদের ইটিটি পজিটিভ হয় অর্থাৎ করোনারি হার্ট ডিজিজ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি তাদেরও এনজিওগ্রাম করা হয়।
এনজিওগ্রাম করার আগে পরীক্ষা
এনজিওগ্রাম করার আগে রোগীর উপযুক্ততা যাচাইয়ের পরীক্ষা করা হয়। রোগীর সিবিসি, বিটি, সিটি, ব্লাড ইউরিয়া, সিরাম ক্রিয়েটিনিন, সিরাম ইলেকট্রলাইট, বুকের এক্স-রে, ইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাম, এইচবিএসএজি, ভিডিআরএল, অ্যান্টি এইচসিভি, এইচআইভি, ব্লাড গ্রুপিং করা প্রয়োজন।
এনজিওগ্রামে ঝুঁকি
এনজিওগ্রামে অল্প বা বেশি রক্তক্ষরণ হতে পারে। তা ছাড়া কুঁচকির জায়গায় রক্ত জমাট বাঁধতে পারে, বেশি পরিমাণে ব্যথার কারণে ভ্যাসো ভ্যাগাল অ্যাটাক, করোনারি ও পায়ের ধমনীতে ডিসেকশন বা ছিঁড়ে যেতে পারে। এ ছাড়া রোগীর রক্তচাপ কমে যেতে পারে ও অনিয়ন্ত্রিত হৃদস্পন্দন হতে পারে। তবে আধুনিক কার্ডিয়াক সেন্টারে রক্তপাত ছাড়া অন্য সমস্যাগুলো হয় না বললেই চলে।