মা হওয়ার মধ্য দিয়ে নারীর জীবনে পূর্ণতা আসে। প্রতিটি মেয়ের মনেই আশৈশব লালিত থাকে মা হওয়ার স্বপ্ন। আর তাই মাতৃত্ব নিয়ে আসে অনির্বচনীয় আনন্দের স্বাদ। এ সময় অনাগত সন্তানের কথা ভেবে মাকে নিতে হয় বাড়তি যত্নের। বাড়তি যত্ন বলতে সবাই বুঝে খাওয়া-দাওয়ার কথা। আর তাই ঘুরে-ফিরে অভিভাবকেরা গর্ভবতী মায়ের হাতে তুলে দিচ্ছেন কখনো দুধের গ্লাস, কখনো বা ফলের জুস। কিন্তু গর্ভবতী মায়ের ত্বকের যত্নের কথা যেন সবাই ভুলে যান। অনেকেই হয়তো ভাবছেন,
গর্ভধারণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গর্ভধারণ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
সোমবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১২
সোমবার, ১৫ আগস্ট, ২০১১
বুকের দুধ বাড়াতে করণীয়
বুকে কম দুধ আসা অনেক মায়ের জন্য একটি বড় সমস্যা। কিন' এর সমাধান খুব সহজ। দুধের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য মূলত যে বিষয়গুলো জরুরি সেগুলো হলো শারীরিক ও মানসিক বিশ্রাম, পুষ্টিকর খাবার খাওয়া এবং বিশেষ কিছু খাবার খাওয়া যে খাবারগুলো দুধের পরিমাণ বাড়াতে সরাসরি সহযোগিতা করে।
শারীরিক ও মানসিক বিশ্রাম
বুকে দুধ কম এলে অনেক ক্ষেত্রে মাকে ‘অপয়া’ হিসেবে অপবাদ দেয়া হয়। কিন' বিষয়টি সম্পূর্ণই ভ্রান্ত। এরূপ অপবাদে মা মানসিকভাবে আরও বেশি ভেঙে পড়েন এবং এই মানসিক সমস্যাই মায়ের বুকে দুধ না আসার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। এক্ষেত্রে মা এবং পরিবারের সবাইকে মনে রাখতে হবে যে, বাচ্চা জন্মগ্রহণের পর দুধ আসা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং মায়ের পুষ্টি যদি নিশ্চিত করা যায় তাহলে দুধ আসবে। অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম এবং মানসিক অশান্তি মায়ের বুকের দুধ তৈরির প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। এ জন্য মায়ের পর্যাপ্ত বিশ্রামের ব্যবস্থা করতে হবে। যদি সম্ভব হয় প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ মিনিট বিশেষ নিয়মে শবাসন করতে হবে।
বুকে দুধ কম এলে অনেক ক্ষেত্রে মাকে ‘অপয়া’ হিসেবে অপবাদ দেয়া হয়। কিন' বিষয়টি সম্পূর্ণই ভ্রান্ত। এরূপ অপবাদে মা মানসিকভাবে আরও বেশি ভেঙে পড়েন এবং এই মানসিক সমস্যাই মায়ের বুকে দুধ না আসার একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। এক্ষেত্রে মা এবং পরিবারের সবাইকে মনে রাখতে হবে যে, বাচ্চা জন্মগ্রহণের পর দুধ আসা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া এবং মায়ের পুষ্টি যদি নিশ্চিত করা যায় তাহলে দুধ আসবে। অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম এবং মানসিক অশান্তি মায়ের বুকের দুধ তৈরির প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করে। এ জন্য মায়ের পর্যাপ্ত বিশ্রামের ব্যবস্থা করতে হবে। যদি সম্ভব হয় প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ মিনিট বিশেষ নিয়মে শবাসন করতে হবে।
শবাসনের নিয়ম
মা বালিশ ছাড়া চিৎ হয়ে আরামের সঙ্গে শুয়ে পড়বেন (বিছানা বা মেঝেতে পাটি বিছিয়ে)। হাত দুটি শরীরের দুই পাশে থাকবে। দুই পায়ের মাঝে আধা হাত পরিমাণ ফাঁকা থাকবে। হালকাভাবে চোখ বন্ধ রেখে নাক দিয়ে লম্বা করে দম নিয়ে মুখ দিয়ে দম ছাড়তে হবে (পাঁচ-ছয়বার)। এরপর কিছুক্ষণ (দুই-তিনবার) স্বাভাবিকভাবে দম নিতে হবে। এরপর নাক দিয়ে ধীরে ধীরে দম নিয়ে নাক দিয়েই ধীরে ধীরে দম ছাড়তে হবে। দম নেয়ার চেয়ে ছাড়ার সময় একটু বেশি হবে। এরপর মনের চোখে নিঃশ্বাসের প্রবেশপথে মনোযোগ দিতে হবে। এতে শরীর ভারী ভারী অনুভব হবে। এবার চিন্তা করবেন বিশাল ফাঁকা মাঠে নরম ঘাসের ওপর আপনি শুয়ে আছেন। শীতকাল হলে চিন্তা করবেন হালকা গরম বাতাস আপনাকে ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছে। গরমকাল হলে চিন্তা করবেন হালকা শীতল বাতাস আপনার শরীরে পরশ বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছে। এবার চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ চিন্তা করবেন। পাখির কলতান, ঝরনার ছলছল আর পাতার ঝিরিঝিরি শব্দ ও রঙ, ফুলের মিষ্টি সুবাস প্রভৃতি। এবার আপনার শিশুকে কল্পনায় প্রচুর পরিমাণে আনন্দের সঙ্গে দুধ পান করাতে থাকবেন। তার সঙ্গে খেলবেন, হাসবেন। ঘুমানোর সুযোগ থাকলে ঘুমিয়ে পড়বেন অথবা ধীরে ধীরে মাথা, হাত-পা নাড়বেন এবং উঠে যাবেন।
মা বালিশ ছাড়া চিৎ হয়ে আরামের সঙ্গে শুয়ে পড়বেন (বিছানা বা মেঝেতে পাটি বিছিয়ে)। হাত দুটি শরীরের দুই পাশে থাকবে। দুই পায়ের মাঝে আধা হাত পরিমাণ ফাঁকা থাকবে। হালকাভাবে চোখ বন্ধ রেখে নাক দিয়ে লম্বা করে দম নিয়ে মুখ দিয়ে দম ছাড়তে হবে (পাঁচ-ছয়বার)। এরপর কিছুক্ষণ (দুই-তিনবার) স্বাভাবিকভাবে দম নিতে হবে। এরপর নাক দিয়ে ধীরে ধীরে দম নিয়ে নাক দিয়েই ধীরে ধীরে দম ছাড়তে হবে। দম নেয়ার চেয়ে ছাড়ার সময় একটু বেশি হবে। এরপর মনের চোখে নিঃশ্বাসের প্রবেশপথে মনোযোগ দিতে হবে। এতে শরীর ভারী ভারী অনুভব হবে। এবার চিন্তা করবেন বিশাল ফাঁকা মাঠে নরম ঘাসের ওপর আপনি শুয়ে আছেন। শীতকাল হলে চিন্তা করবেন হালকা গরম বাতাস আপনাকে ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছে। গরমকাল হলে চিন্তা করবেন হালকা শীতল বাতাস আপনার শরীরে পরশ বুলিয়ে ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছে। এবার চারপাশের প্রাকৃতিক পরিবেশ চিন্তা করবেন। পাখির কলতান, ঝরনার ছলছল আর পাতার ঝিরিঝিরি শব্দ ও রঙ, ফুলের মিষ্টি সুবাস প্রভৃতি। এবার আপনার শিশুকে কল্পনায় প্রচুর পরিমাণে আনন্দের সঙ্গে দুধ পান করাতে থাকবেন। তার সঙ্গে খেলবেন, হাসবেন। ঘুমানোর সুযোগ থাকলে ঘুমিয়ে পড়বেন অথবা ধীরে ধীরে মাথা, হাত-পা নাড়বেন এবং উঠে যাবেন।
পানি পান
প্রতিদিন কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত। পানি পানের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়াতে হবে। ভাতের সঙ্গে কাঁচা লবণ খেতে হবে (অতিরিক্ত পানি খাওয়ার কারণে যাতে শরীরে লবণের ঘাটতি না হয়)। তবে যাদের হাইপ্রেসার বা উচ্চরক্তচাপ আছে তারা কাঁচা বা পাতে লবণ খাবেন না।
প্রতিদিন কমপক্ষে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত। পানি পানের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়াতে হবে। ভাতের সঙ্গে কাঁচা লবণ খেতে হবে (অতিরিক্ত পানি খাওয়ার কারণে যাতে শরীরে লবণের ঘাটতি না হয়)। তবে যাদের হাইপ্রেসার বা উচ্চরক্তচাপ আছে তারা কাঁচা বা পাতে লবণ খাবেন না।
ঘন ঘন দুধ খাওয়ানো
বাচ্চাকে যত ঘন ঘন দুধ দেবেন তত বেশি দুধ আসতে থাকবে। বাচ্চা যদি খুব কম দুধ পান করে সে ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে দুধ চিপে ফেলে দেবেন। প্রথম ছয় মাস প্রতিদিন ৮-১০ বার বা বাচ্চার চাহিদা অনুযায়ী আরও বেশি বার দুধ পান করাতে হবে। একবারে ১০-২০ মিনিট বা তারও বেশি সময় ধরে দুধ দেবেন।
বাচ্চাকে যত ঘন ঘন দুধ দেবেন তত বেশি দুধ আসতে থাকবে। বাচ্চা যদি খুব কম দুধ পান করে সে ক্ষেত্রে পরিচ্ছন্নতা বজায় রেখে দুধ চিপে ফেলে দেবেন। প্রথম ছয় মাস প্রতিদিন ৮-১০ বার বা বাচ্চার চাহিদা অনুযায়ী আরও বেশি বার দুধ পান করাতে হবে। একবারে ১০-২০ মিনিট বা তারও বেশি সময় ধরে দুধ দেবেন।
খাবার
মাকে যতটুকু সম্ভব বেশি পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার (যেমন- মাছ, ডিম, দুধ প্রভৃতি) খেতে হবে। অতিরিক্ত দুধ তৈরিতে যে খাবারগুলো সরাসরি সহযোগিতা করে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে গাজর, শিম, বাদাম (চীনাবাদাম, কাজুবাদাম), কালোজিরার ভর্তা, লাউ, ডুমুর, পালংশাক, কলমিশাক, টমেটো প্রভৃতি।
মাকে যতটুকু সম্ভব বেশি পরিমাণে পুষ্টিকর খাবার (যেমন- মাছ, ডিম, দুধ প্রভৃতি) খেতে হবে। অতিরিক্ত দুধ তৈরিতে যে খাবারগুলো সরাসরি সহযোগিতা করে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে গাজর, শিম, বাদাম (চীনাবাদাম, কাজুবাদাম), কালোজিরার ভর্তা, লাউ, ডুমুর, পালংশাক, কলমিশাক, টমেটো প্রভৃতি।
বিশেষ সতর্কতা
দুধদানকারী মা যদি এইডস, যক্ষ্মা বা অন্য কোনো দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন তবে দুধদানের আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অনুমতি নিতে হবে। দুধদানের সময় মায়ের কখনোই কোক, পেপসি, স্প্রাপ্রাইট প্রভৃতি কোমল পানীয় এবং চা, কফি পান করা ঠিক নয়। কারণ এগুলো থেকে ক্ষতিকর কিছু উপাদান মায়ের শরীরে এবং মায়ের শরীর থেকে দুধের সঙ্গে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এতে বাচ্চা অসুস' হয়ে পড়তে পারে।
দুধদানকারী মা যদি এইডস, যক্ষ্মা বা অন্য কোনো দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত হন তবে দুধদানের আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অনুমতি নিতে হবে। দুধদানের সময় মায়ের কখনোই কোক, পেপসি, স্প্রাপ্রাইট প্রভৃতি কোমল পানীয় এবং চা, কফি পান করা ঠিক নয়। কারণ এগুলো থেকে ক্ষতিকর কিছু উপাদান মায়ের শরীরে এবং মায়ের শরীর থেকে দুধের সঙ্গে বাচ্চার শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এতে বাচ্চা অসুস' হয়ে পড়তে পারে।
নেট থেকে
৯ মাসের বিপদ-আপদ
জরিনা বেগম, বয়স ২৫, গৃহিণী, স্বামী কৃষক। বাড়ি কুড়িগ্রাম। দুই কন্যা সন্তানের জননী, বর্তমানে আবার গর্ভবতী। স্বামী হুমকি দিয়েছে আবার কন্যা সন্তান প্রসব করলে তালাক দেবে। তাই গর্ভকালীন তার প্রতি গুরুত্ব ছিল একেবারেই কম, এমনকি প্রসব বেদনার সময়ও। গ্রামের ধাত্রীকে ডেকে আনা হলো। অবস্থা খুবই জটিল জেনেও স্বামী হাসপাতালে নিতে রাজি হলো না। ২৪ ঘণ্টা কষ্টের পর জরিনা এক মৃত পুত্রসন্তানের জন্ম দিয়ে নিজেও মারা গেলেন। পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এলো। শোকটা জরিনার জন্য নয়, মৃত পুত্রসন্তানের জন্য।
রাহেলা খাতুন, বয়স ২২, এক পুত্রসন্তানের জন্মের চার বছর পর পরবর্তী সন্তানের জন্মের তারিখ খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। গভীর রাতে প্রসব বেদনা উঠল। কিন্তু প্রসূ'তি শেষ করে হাসপাতালে তাকে নিতে অনেক দেরি হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর হাসপাতালে সে জন্ম দিল এক মৃত কন্যা সন্তান।
প্রথম ঘটনায় মৃত্যুর কারণ দৃষ্টিভঙ্গি, দ্বিতীয়টিতে যথাযথ প্রসূ'তির অভাব। মাতৃ মৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার আমাদের দেশে আগের তুলনায় অনেক কমেছে কিন্তু এখনো যে পর্যায়ে আছে তা যথেষ্ট উদ্বেগের। গর্ভকালীন মাকে বাড়তি যত্ন নিতে হবে তার পরিবার থেকে, তাকে ও অনাগত শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে পরিবার থেকে নিচের বিষয়গুলো লক্ষ রাখা দরকার।
রাহেলা খাতুন, বয়স ২২, এক পুত্রসন্তানের জন্মের চার বছর পর পরবর্তী সন্তানের জন্মের তারিখ খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। গভীর রাতে প্রসব বেদনা উঠল। কিন্তু প্রসূ'তি শেষ করে হাসপাতালে তাকে নিতে অনেক দেরি হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর হাসপাতালে সে জন্ম দিল এক মৃত কন্যা সন্তান।
প্রথম ঘটনায় মৃত্যুর কারণ দৃষ্টিভঙ্গি, দ্বিতীয়টিতে যথাযথ প্রসূ'তির অভাব। মাতৃ মৃত্যু ও শিশু মৃত্যুর হার আমাদের দেশে আগের তুলনায় অনেক কমেছে কিন্তু এখনো যে পর্যায়ে আছে তা যথেষ্ট উদ্বেগের। গর্ভকালীন মাকে বাড়তি যত্ন নিতে হবে তার পরিবার থেকে, তাকে ও অনাগত শিশুর পুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে। এক্ষেত্রে পরিবার থেকে নিচের বিষয়গুলো লক্ষ রাখা দরকার।
- মাকে সব সময় মানসিকভাবে উৎফুল্ল রাখা
- পুষ্টিকর খাবার দেয়া
- জন্মদান বিষয়ে সাহস জোগানো
- ভারী কোনো কাজ করতে না দেয়া
- সব সময় স্বাস্থ্যগত দিকটি নজরে রাখা
- ভবিষ্যতে যেকোনো বিপদের জন্য নিজেদের প্রস'ত রাখা
তবে নিচের কয়েকটি বিষয় গর্ভবতীর মধ্যে থাকলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। সেগুলো হলো-
হঠাৎ রক্তপাত শুরু হলে
প্রসবের সময় ছাড়া গর্ভাবস্থায় যেকোনো সময় রক্তক্ষরণ বা প্রসবের সময় বা প্রসবের পর খুব বেশি রক্তক্ষরণ বা গর্ভফুল না পড়া বিপদের লক্ষণ। তাই এ রকম পরিসি'তির সৃষ্টি হলে কোনো রকম চিন্তা না করে পরিবারের সবারই উচিত মাকে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া এবং ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া। অন্যথায় তা বাচ্চা এবং মা দুজনের জীবনেই হুমকি ডেকে আনতে পারে।
প্রসবের সময় ছাড়া গর্ভাবস্থায় যেকোনো সময় রক্তক্ষরণ বা প্রসবের সময় বা প্রসবের পর খুব বেশি রক্তক্ষরণ বা গর্ভফুল না পড়া বিপদের লক্ষণ। তাই এ রকম পরিসি'তির সৃষ্টি হলে কোনো রকম চিন্তা না করে পরিবারের সবারই উচিত মাকে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া এবং ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া। অন্যথায় তা বাচ্চা এবং মা দুজনের জীবনেই হুমকি ডেকে আনতে পারে।
খিঁচুনি হলে
গর্ভাবস্থায়, প্রসবের সময় বা প্রসবের পর যেকোনো সময় যদি খিঁচুনি দেখা দেয় তবে দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে বিশেষায়িত হাসপাতালে মাকে ভর্তি করাতে হবে। খিঁচুনি একলামসিয়ার প্রধান লক্ষণ। তাই দ্রুত পদক্ষেপ ও চিকিৎসা বাচ্চা এবং মা দুজনের জীবনকেই রক্ষা করতে পারে। তা না হলে এ রোগে দুজনই মারা যেতে পারে।
গর্ভাবস্থায়, প্রসবের সময় বা প্রসবের পর যেকোনো সময় যদি খিঁচুনি দেখা দেয় তবে দেরি না করে সঙ্গে সঙ্গে বিশেষায়িত হাসপাতালে মাকে ভর্তি করাতে হবে। খিঁচুনি একলামসিয়ার প্রধান লক্ষণ। তাই দ্রুত পদক্ষেপ ও চিকিৎসা বাচ্চা এবং মা দুজনের জীবনকেই রক্ষা করতে পারে। তা না হলে এ রোগে দুজনই মারা যেতে পারে।
চোখে ঝাপসা দেখলে বা তীব্র মাথাব্যথা হলে
গর্ভাবস্থায়, প্রসবের সময় বা প্রসবের পর শরীরে পানি আসা, খুব বেশি মাথাব্যথা বা চোখে ঝাপসা দেখা পাঁচটি প্রধান বিপদ চিহ্নের মধ্যে একটি। তাই এ ব্যাপারে মায়েদের বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। যদিও গর্ভাবস্থায় মায়ের পায়ে সামান্য পানি আসা খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। একটু বেশি হাঁটলে এ পানি চলেও যায়। কিন' যদি পায়ে অতিরিক্ত পানি আসে এবং অস্বস্তির সৃষ্টি করে ও পা ভারী হয়ে আসে তবে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।
গর্ভাবস্থায়, প্রসবের সময় বা প্রসবের পর শরীরে পানি আসা, খুব বেশি মাথাব্যথা বা চোখে ঝাপসা দেখা পাঁচটি প্রধান বিপদ চিহ্নের মধ্যে একটি। তাই এ ব্যাপারে মায়েদের বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। যদিও গর্ভাবস্থায় মায়ের পায়ে সামান্য পানি আসা খুব একটা অস্বাভাবিক নয়। একটু বেশি হাঁটলে এ পানি চলেও যায়। কিন' যদি পায়ে অতিরিক্ত পানি আসে এবং অস্বস্তির সৃষ্টি করে ও পা ভারী হয়ে আসে তবে ডাক্তারের সঙ্গে যোগাযোগ করা উচিত।
ভীষণ জ্বর হলে
গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের পর তিন দিনের বেশি জ্বর বা দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব প্রধান বিপদ চিহ্নের একটি। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় যদি কেঁপে কেঁপে ভীষণ জ্বর আসে এবং প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া হয়, তবে তা অনেক সময় মূত্রনালির সংক্রমণের ইঙ্গিত বহন করে। সময়মতো উপযুক্ত চিকিৎসা করলে অল্প সময়ে এ জটিলতা দূর হয়ে যায়।
গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের পর তিন দিনের বেশি জ্বর বা দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব প্রধান বিপদ চিহ্নের একটি। বিশেষ করে গর্ভাবস্থায় যদি কেঁপে কেঁপে ভীষণ জ্বর আসে এবং প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া হয়, তবে তা অনেক সময় মূত্রনালির সংক্রমণের ইঙ্গিত বহন করে। সময়মতো উপযুক্ত চিকিৎসা করলে অল্প সময়ে এ জটিলতা দূর হয়ে যায়।
বিলম্বিত প্রসব হলে
প্রসবব্যথা যদি ১২ ঘণ্টার বেশি হয় অথবা প্রসবের সময় যদি বাচ্চার মাথা ছাড়া অন্য কোনো অঙ্গ বের হয়ে আসে, বাসাবাড়িতে প্রসবের চেষ্টা না করে সবারই উচিত মাকে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া।
প্রসবব্যথা যদি ১২ ঘণ্টার বেশি হয় অথবা প্রসবের সময় যদি বাচ্চার মাথা ছাড়া অন্য কোনো অঙ্গ বের হয়ে আসে, বাসাবাড়িতে প্রসবের চেষ্টা না করে সবারই উচিত মাকে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া।
লক্ষ রাখতে হবে গর্ভবতীকেও
এ ছাড়া গর্ভবতী মায়েদেরও এসব বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। কোনো সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে জানাতে হবে। তা ছাড়া নিচের কয়েকটি বিষয়ে নিজেকেও খেয়াল রাখতে হবে।
এ ছাড়া গর্ভবতী মায়েদেরও এসব বিষয়ে বিশেষ সতর্ক থাকতে হবে। কোনো সমস্যা হলে সঙ্গে সঙ্গে জানাতে হবে। তা ছাড়া নিচের কয়েকটি বিষয়ে নিজেকেও খেয়াল রাখতে হবে।
বাচ্চার নড়াচড়া
গর্ভাবস্থায় সাধারণত মা ১৬ থেকে ২০ সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চার নড়াচড়া অনুভব করেন। পেটের ভেতর বাচ্চা ঘুমায় ও খেলা করে, যার অনুভূতি মা বাইরে থেকে বুঝতে পারেন। বাচ্চার নড়াচড়ার একটা নির্দিষ্ট সীমা এবং সময় রয়েছে যা শুধু মা-ই অনুভব করেন। এর কোনো ব্যতিক্রম হলে মা সেটা খুব দ্রুত বুঝতে পারেন। বাচ্চার অধিক নড়াচড়া বা কম নড়াচড়া দুটিই ক্ষতিকর এবং এসব ক্ষেত্রে নিয়মিত এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর ডাক্তারকে দেখানো উচিত।
গর্ভাবস্থায় সাধারণত মা ১৬ থেকে ২০ সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চার নড়াচড়া অনুভব করেন। পেটের ভেতর বাচ্চা ঘুমায় ও খেলা করে, যার অনুভূতি মা বাইরে থেকে বুঝতে পারেন। বাচ্চার নড়াচড়ার একটা নির্দিষ্ট সীমা এবং সময় রয়েছে যা শুধু মা-ই অনুভব করেন। এর কোনো ব্যতিক্রম হলে মা সেটা খুব দ্রুত বুঝতে পারেন। বাচ্চার অধিক নড়াচড়া বা কম নড়াচড়া দুটিই ক্ষতিকর এবং এসব ক্ষেত্রে নিয়মিত এবং নির্দিষ্ট সময় পরপর ডাক্তারকে দেখানো উচিত।
রক্তচাপ বেড়ে যাওয়া
গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের পর মায়ের রক্তচাপ লক্ষ রাখা জরুরি। উচ্চ রক্তচাপ অনেক সময় মায়ের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায় এবং এটি একলামসিয়ার একটি লক্ষণও। তাই যারা আগে থেকেই রক্তচাপে আক্রান্ত বা গর্ভাবস্থায় উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের উচিত ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক ওষুধ সেবন করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিজ ও বাচ্চা উভয়ের সুন্থতা নিশ্চিত করা।
গর্ভাবস্থায় বা প্রসবের পর মায়ের রক্তচাপ লক্ষ রাখা জরুরি। উচ্চ রক্তচাপ অনেক সময় মায়ের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায় এবং এটি একলামসিয়ার একটি লক্ষণও। তাই যারা আগে থেকেই রক্তচাপে আক্রান্ত বা গর্ভাবস্থায় উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত হয়েছেন, তাদের উচিত ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক ওষুধ সেবন করে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা এবং নিজ ও বাচ্চা উভয়ের সুন্থতা নিশ্চিত করা।
তলপেটে তীব্র ব্যথা
গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে (সাধারণত তিন মাসের মধ্যে) যদি কোনো সময় তলপেটে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়, রক্তক্ষরণ ও পেট রক্ত হয়ে যায় তবে দ্রুত ডাক্তারকে দেখানো উচিত। এ ক্ষেত্রে জরায়ু ছাড়া নালিতে (অন্যান্য সন্তান যেমন- পেটের ভেতর, ডিম্বাশয়ের মধ্যে ইত্যাদি) গর্ভধারণ (যা একটোপিক প্রেগন্যান্সি নামে পরিচিত) হয়ে থাকে এবং অনেক সময় এটি ফেটে গিয়ে মায়ের জীবনকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। এ ক্ষেত্রে দ্রুত অপারেশন ছাড়া মাকে বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়ে।
তাই গর্ভাবস্থায় প্রথম ৩৬ সপ্তাহে ন্যূনতম প্রতি মাসে একবার এবং ৩৬ সপ্তাহের পর প্রতি সপ্তাহে একবার করে মাকে স্বাস্থ্যকর্মী বা ডাক্তার দেখানো উচিত।
গর্ভাবস্থার প্রথম দিকে (সাধারণত তিন মাসের মধ্যে) যদি কোনো সময় তলপেটে তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়, রক্তক্ষরণ ও পেট রক্ত হয়ে যায় তবে দ্রুত ডাক্তারকে দেখানো উচিত। এ ক্ষেত্রে জরায়ু ছাড়া নালিতে (অন্যান্য সন্তান যেমন- পেটের ভেতর, ডিম্বাশয়ের মধ্যে ইত্যাদি) গর্ভধারণ (যা একটোপিক প্রেগন্যান্সি নামে পরিচিত) হয়ে থাকে এবং অনেক সময় এটি ফেটে গিয়ে মায়ের জীবনকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। এ ক্ষেত্রে দ্রুত অপারেশন ছাড়া মাকে বাঁচানো কঠিন হয়ে পড়ে।
তাই গর্ভাবস্থায় প্রথম ৩৬ সপ্তাহে ন্যূনতম প্রতি মাসে একবার এবং ৩৬ সপ্তাহের পর প্রতি সপ্তাহে একবার করে মাকে স্বাস্থ্যকর্মী বা ডাক্তার দেখানো উচিত।
গর্ভকালীন সাধারণ সমস্যা
এর বাইরেও গর্ভকালীন সাধারণ কিছু সমস্যা দেখা যায়। যেমন-
এর বাইরেও গর্ভকালীন সাধারণ কিছু সমস্যা দেখা যায়। যেমন-
বমি
সকালে ওঠার পর যদি বেশি অসুস্থবোধ হয় তবে প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে হালকা কিছু যেমন- শুষ্ক টোস্ট বা সাধারণ বিস্কুট খেতে পারেন।
সকালে ওঠার পর যদি বেশি অসুস্থবোধ হয় তবে প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে হালকা কিছু যেমন- শুষ্ক টোস্ট বা সাধারণ বিস্কুট খেতে পারেন।
- পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন
- দুশ্চিন্তা করবেন না
- বমি হবে এই ভয়ে খাওয়া-দাওয়া বন্ধ করবেন না
বুকজ্বলা
- অল্প অল্প করে প্রয়োজনে বারবার খাবার খান
- বেশি মসলাযুক্ত খাবার পরিত্যাগ করুন
- রাতে বুকজ্বলা শুরু হলে এন্টাসিড ট্যাবলেট চুষে খেতে পারেন
- প্রয়োজনে ডাক্তার দেখান
কোষ্ঠকাঠিন্য বা পায়খানা কষা
- প্রচুর পানি, আঁশযুক্ত খাবার ও শাকসব্জি বেশি করে খান
- নিয়মিত শারীরিক ব্যায়াম করে মাংসপেশির টান ঠিক রাখুন
গিলা ও পা ফোলা
- অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকবেন না
- পা যতটা সম্ভব ওপরের দিকে রেখে শুয়ে থাকুন
- রক্তচাপ পরিমাপ করাবেন
- লবণ কম খাবেন
যোনির নিঃসরণ
সব মহিলারই গর্ভাবস্থায় যোনির নিঃসরণ বেড়ে যায়। এটা সাধারণত সাদা হয়, তবে গন্ধ থাকে না। যদি যোনির নিঃসরণ গন্ধযুক্ত, রঙিন হয় এবং আপনি অস্বস্তিবোধ করেন তবে বুঝতে হবে আপনার যোনিতে জীবাণুর সংক্রমণ হয়েছে। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। একটু সচেতনতা ও পরিবার এবং চিকিৎসকের সামান্য সহযোগিতাই কমিয়ে আনতে পারে মা ও শিশুর অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর হার।
সব মহিলারই গর্ভাবস্থায় যোনির নিঃসরণ বেড়ে যায়। এটা সাধারণত সাদা হয়, তবে গন্ধ থাকে না। যদি যোনির নিঃসরণ গন্ধযুক্ত, রঙিন হয় এবং আপনি অস্বস্তিবোধ করেন তবে বুঝতে হবে আপনার যোনিতে জীবাণুর সংক্রমণ হয়েছে। প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিন। একটু সচেতনতা ও পরিবার এবং চিকিৎসকের সামান্য সহযোগিতাই কমিয়ে আনতে পারে মা ও শিশুর অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুর হার।
গর্ভবতী মায়ের জন্য
- সব সময় ধীরে ধীরে দাঁড়াবেন, কখনোই আচমকা দাঁড়াবেন না
- এক জায়গায় বেশিক্ষণ বসে থাকবেন না
- প্রতিদিন ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন
- বেশি লবণ খাওয়া থেকে বিরত থাকুন
- প্রচুর আঁশযুক্ত খাবার যেমন- রান্না করা অথবা কাঁচা ফল এবং সবুজ শাকসব্জি, সালাদ খাবেন
- অল্প চর্বিযুক্ত ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খাবেন
- ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম করবেন
- ক্লান্তি-বোধ হলে কিছু সময় বিশ্রাম নিন
- যতটা সম্ভব দুশ্চিন্তা পরিহার করুন
- প্রতি রাতে অন্তত ৮ ঘণ্টা এবং দিনে ২ ঘণ্টা ঘুমাবেন। প্রয়োজনে বিকেলে বিশ্রাম নিন।
- বাম কাত হয়ে ঘুমাবেন। এর ফলে বাচ্চার জন্য পুষ্টি ও অক্সিজেন বহনকারী রক্তনালির ওপর চাপ পড়বে না।
- নেট থেকে
রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০১১
গর্ভবতীদের বমি হওয়া ভালো
ডা. চ্যান বলেন, গর্ভকালে বমি হলে গর্ভের সন্তানের জন্য ক্ষতিকারক উপাদান বমির মাধ্যমে মায়ের দেহ থেকে বের হয়ে যায়। ফলে গর্ভের সন্তানের কোনো ক্ষতি হয় না। এ ধরনের কথার পেছনে যুক্তি দেখিয়ে তিনি বলেন, গর্ভ বজায় রাখার জন্য যে সব হরমোনের প্রয়োজন সেগুলো প্রথম তিন মাসেই মায়ের দেহে বেশিহারে বৃদ্ধি পায়। বমি ও বমি বমি উপসর্গ দেখা দেয়ার মাধ্যমে এই হরমোনের প্রতি মায়ের স্পর্শকাতরতার বিষয়টি ফুটে ওঠে।
গর্ভকালে মায়েরা যে সব উপসর্গে ভোগেন তা সবারই একরকম হয় না। একেক মায়ের মধ্যে একেক উপসর্গ দেখা যায় বলে তিনি জানান। ৫০ থেকে ৯০ শতাংশ মায়ের এ ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়। আগে এ সংক্রান্ত যে সব সমীক্ষা হয়েছে তাতে দেখা গেছে, বমি বা বমি বমি ভাব যে সব মায়ের হয়, তাদের সাধারণভাবে গর্ভপাত হয় না। ‘হিউম্যান রিপ্রোডাকশন’ নামের জার্নালে এসব কথা লিখেছেন ডা. চ্যান ও তার গবেষক দলটি।
গবেষক দলটি গবেষণায় দেখতে পেয়েছেন, ৮৯ শতাংশ মায়ের বমি বা বমি বমি ভাবের উপসর্গ সামান্য মাত্রায় হয়েছে। আর গর্ভধারণের ২০ সপ্তাহ পার হওয়ার আগেই ১১ শতাংশের গর্ভপাত হয়ে গেছে, যাদের বমি বা বমি বমি ভাব ছিল না।
গবেষক দলটি আরও দেখতে পেয়েছেন, ২৫ বছরের অনূর্ধ্ব যে সব মায়ের গর্ভের প্রথম তিন মাস এ ধরনের উপসর্গ অর্থাত্ বমি ও বমি বমি ভাব হয়েছে তাদের তুলনায় যাদের হয়নি তাদের গর্ভপাতের আশঙ্কা ৩ দশমিক ২ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে ৩৫ বছরের বেশি বয়সের যে সব মায়ের এ ধরনের উপসর্গ হয়নি তাদের গর্ভপাতের আশঙ্কা প্রায় ১২ গুণ। এ দুই উপসর্গ যে সব মায়ের বেশি সময় ধরে ছিল তাদের গর্ভপাতের আশঙ্কা কমে গেছে। অপেক্ষাকৃত বয়স্ক মায়েদের ক্ষেত্রে এ উপসর্গের সঙ্গে গর্ভপাতের জোরালো সম্পর্ক আছে বলে তারা দেখতে পেয়েছেন। ৩৫ বা তার চেয়ে বেশি বয়সী যে সব মায়ের গর্ভকালীন অর্ধেকের বেশি সময়ব্যাপী এ দুই উপসর্গ থেকেছে তাদের গর্ভপাতের আশঙ্কা তুলনামূলকভাবে ৮০ শতাংশ কমে গেছে।
শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
মহিলাদের মা হওয়ার প্রধান বাধা রক্তের গ্রুপ
বিশ্বের প্রায় সব দেশেই বেশিরভাগ মহিলার একটি অভিন্ন সমস্যা হচ্ছে মা হতে না পারা। এজন্য তাদের চেষ্টা-তদবিরেরও কমতি হয় না। চিকিত্সা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে তাবিজ-কবচ কোনো কিছুই বাদ দেন না তারা। লক্ষ্য একটাই। আর তা হচ্ছে মা হয়ে জীবন সার্থক করে তোলা। বিজ্ঞানীরাও বসে নেই। কেন মহিলারা মা হতে পারেন না—তা নিয়ে তাদের গবেষণার অন্ত নেই। শেষ পর্যন্ত তারা খুঁজে পেয়েছেন মা হওয়ার ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যা রক্তের গ্রুপ। সাম্প্রতিক এক গবেষণার পর এ তথ্য প্রকাশ করেছেন বিজ্ঞানীরা। আলবার্ট ইনস্টেন কলেজ অব মেডিসিন ইন নিউইয়র্ক এবং ইয়ার ইউনিভার্সিটির কয়েকজন বিজ্ঞানী এ কথা বলেছেন।
গবেষকরা বলেছেন, গভর্ধারণের ক্ষুদ্র রসগ্রন্থির (এফএসএইচ) হরমোনগুলো চক্রাকারে ঘুরতে থাকে। এটি শুরু হয় ১৫ বছর বয়স থেকে এবং ৩৫ বছর পর্যন্ত তা সচল থাকে। ৩৫ বছর পর থেকে এর কার্যকারিতা ক্রমেই কমতে থাকে। পরে তা মেনাপোজ বা রজোনিবৃত্তি হয়ে শেষ হয়। অর্থাত্ গভর্ধারণ ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়।
গবেষকরা আরও বলেন, রক্তের গ্রুপ ‘এ’ এবং ‘ও’ মহিলাদের ক্ষুদ্র রসগ্রন্থী উর্বরতা অনেকাংশে কম-বেশি হাওয়ায় বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছে, যা গর্ভধারণ ক্ষমতায় বাধা সৃষ্টি করছে।
গবেষকরা বলেন, রক্তের গ্রুপ ‘ও’ হলে মহিলাদের রসগ্রন্থির উর্বরতা উচ্চ আকারে থাকে এবং রক্তের গ্রুপ ‘এ’ হলে রসগ্রন্থির উর্বরতা কমে যায়—যা গভর্ধারণের জন্য বিপজ্জনক।
ড. অ্যাডওয়ার্ড নিজ্যাট বলেন, মহিলাদের গর্ভধারণের জন্য বয়স একটি প্রয়োজনীয় দিক। তিনি আরও বলেন, এফএসএইচ হরমোন একটি দিকনিদর্শন, যা একজন মহিলার ডিম্বাশয়ের গুণাগুণ ও পরিমাণকে বুঝতে সাহায্য করে।
ড. নিজ্যাট বলেন, যুক্তরাজ্যের ৪৪ ভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ হলো ‘ও’। তিনি এ প্রথমবারের মতো রক্তের গ্রুপ এবং রসগ্রন্থির উর্বরতা নিয়ে গবেষণা করছেন।
উল্লেখ্য, একজন মহিলার মা হওয়ার জন্য এ গবেষণাটি খুবই প্রয়োজনীয়। এভাবেই বিজ্ঞান যুগে যুগে আমাদের অন্ধকার থেকে আলোর পথে আসতে সাহায্য করে।
গবেষকরা বলেছেন, গভর্ধারণের ক্ষুদ্র রসগ্রন্থির (এফএসএইচ) হরমোনগুলো চক্রাকারে ঘুরতে থাকে। এটি শুরু হয় ১৫ বছর বয়স থেকে এবং ৩৫ বছর পর্যন্ত তা সচল থাকে। ৩৫ বছর পর থেকে এর কার্যকারিতা ক্রমেই কমতে থাকে। পরে তা মেনাপোজ বা রজোনিবৃত্তি হয়ে শেষ হয়। অর্থাত্ গভর্ধারণ ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়।
গবেষকরা আরও বলেন, রক্তের গ্রুপ ‘এ’ এবং ‘ও’ মহিলাদের ক্ষুদ্র রসগ্রন্থী উর্বরতা অনেকাংশে কম-বেশি হাওয়ায় বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছে, যা গর্ভধারণ ক্ষমতায় বাধা সৃষ্টি করছে।
গবেষকরা বলেন, রক্তের গ্রুপ ‘ও’ হলে মহিলাদের রসগ্রন্থির উর্বরতা উচ্চ আকারে থাকে এবং রক্তের গ্রুপ ‘এ’ হলে রসগ্রন্থির উর্বরতা কমে যায়—যা গভর্ধারণের জন্য বিপজ্জনক।
ড. অ্যাডওয়ার্ড নিজ্যাট বলেন, মহিলাদের গর্ভধারণের জন্য বয়স একটি প্রয়োজনীয় দিক। তিনি আরও বলেন, এফএসএইচ হরমোন একটি দিকনিদর্শন, যা একজন মহিলার ডিম্বাশয়ের গুণাগুণ ও পরিমাণকে বুঝতে সাহায্য করে।
ড. নিজ্যাট বলেন, যুক্তরাজ্যের ৪৪ ভাগ মানুষের রক্তের গ্রুপ হলো ‘ও’। তিনি এ প্রথমবারের মতো রক্তের গ্রুপ এবং রসগ্রন্থির উর্বরতা নিয়ে গবেষণা করছেন।
উল্লেখ্য, একজন মহিলার মা হওয়ার জন্য এ গবেষণাটি খুবই প্রয়োজনীয়। এভাবেই বিজ্ঞান যুগে যুগে আমাদের অন্ধকার থেকে আলোর পথে আসতে সাহায্য করে।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)