বিশ্বে মহিলারা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন স্তনের ক্যান্সারে। অনুমিত হিসাব অনুযায়ী বিশ্বে ১০ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মহিলা প্রতিবছর নতুন করে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। এর মধ্যে প্রায় ৫ লাখ ৮০ হাজার মহিলা উন্নত দেশগুলোর, বাকিরা উন্নয়নশীল দেশগুলোর।
স্তন ক্যান্সার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
স্তন ক্যান্সার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রবিবার, ২০ নভেম্বর, ২০১১
নারীর ক্যান্সার : সচেতনতা দরকার
বিশ্বে মহিলারা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন স্তনের ক্যান্সারে। অনুমিত হিসাব অনুযায়ী বিশ্বে ১০ লাখ ৫০ হাজারের বেশি মহিলা প্রতিবছর নতুন করে স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন। এর মধ্যে প্রায় ৫ লাখ ৮০ হাজার মহিলা উন্নত দেশগুলোর, বাকিরা উন্নয়নশীল দেশগুলোর।
সোমবার, ১৬ মে, ২০১১
ব্রেস্ট ক্যানসার পরীক্ষা -
প্রতিমাসে একবার নিজে থেকে মিনিট কয়েকের মধ্যে করে ফেলা ব্রেস্ট ক্যানসার পরীক্ষা আপনার জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে পারে। শতকরা ৭০% ক্ষেত্রে নিজ থেকে পরীক্ষাতেই ব্রেস্ট ক্যানসার ধরে ফেলা সম্ভব। যারা আগে ধরে ফেলতে পারেন তাদের শতকরা ৯৮% আরোগ্য লাভ করতে পারেন। ব্রেস্ট পরীক্ষার সময় কোনো লাম্প বা শক্ত মাংসপিণ্ডের উপস্থিতি ধরা পড়লে অতি অবশ্যই ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।
তবে ঘাবড়ে যাবার কিছু নেই। শতকরা ৮০ ভাগ ক্ষেত্রে এই মাংসপিণ্ড ক্ষতিকর কিছু নয়। তাছাড়া মনে সন্দেহ বা প্রশ্ন থাকলেও ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করুন।
ব্রেস্ট ক্যানসার শুধু মাত্র নারীদের হতে পারে মনে করেন অনেকে। কিন্তু দেখা গেছে ১০% ব্রেস্ট ক্যানসার আক্রান্ত থাকেন পুরুষ। সমস্যা হচ্ছে এই পুরুষেরা ব্রেস্ট ক্যানসারের শেষ অবস্থায় এর চিকিৎসা করাতে যান এবং বেশীরভাগ ক্ষেত্রে আর কিছু করার থাকে না।
নিজে থেকে ব্রেস্ট ক্যানসার পরীক্ষা
ব্রেস্ট ক্যানসার পরীক্ষার ধাপ তিনটি। দাঁড়িয়ে অনুভব, দাঁড়িয়ে আয়নায় দেখে, শুয়ে অনুভব। প্রতিমাসে পিরিয়ডের ৭ থেকে ১০ দিন পরে পরীক্ষাটি করা ভালো। এ সময় ব্রেস্টে লাম্পের উপস্থিতি থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে কম।
ব্রেস্ট ক্যানসার পরীক্ষার ধাপ তিনটি। দাঁড়িয়ে অনুভব, দাঁড়িয়ে আয়নায় দেখে, শুয়ে অনুভব। প্রতিমাসে পিরিয়ডের ৭ থেকে ১০ দিন পরে পরীক্ষাটি করা ভালো। এ সময় ব্রেস্টে লাম্পের উপস্থিতি থাকার সম্ভাবনা সবচেয়ে কম।
দাঁড়িয়ে অনুভব

এই ধাপটি গোসলের সময় বা যে কোনো সময় দাঁড়িয়ে করতে পারেন। গোসলের সময় বা অব্যবহিত পরে শরীরের পেশী শিথীল থাকে বলে সেসময় পরীক্ষাটি করা সবচেয়ে ভালো। হাতের মধ্যের তিনটি আঙ্গুল ব্যবহার করে পরীক্ষা করতে হবে। ডান হাতে বাঁ দিকের ব্রেস্ট, এবং বাঁ হাতে ডান দিকের ব্রেস্ট ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পরীক্ষা করুন। অন্য হাতটি মাথার উপর ধরে রাখুন। লক্ষ্য করুন, কোনো শক্ত দলা, দড়ি পাকানো কিংবা মোটা হয়ে আসা অংশ অনুভুত হয় কিনা। এছাড়া অন্য কোনো পরিবর্তন অনুভব করেন কিনা দেখুন।
এই ধাপটি গোসলের সময় বা যে কোনো সময় দাঁড়িয়ে করতে পারেন। গোসলের সময় বা অব্যবহিত পরে শরীরের পেশী শিথীল থাকে বলে সেসময় পরীক্ষাটি করা সবচেয়ে ভালো। হাতের মধ্যের তিনটি আঙ্গুল ব্যবহার করে পরীক্ষা করতে হবে। ডান হাতে বাঁ দিকের ব্রেস্ট, এবং বাঁ হাতে ডান দিকের ব্রেস্ট ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে পরীক্ষা করুন। অন্য হাতটি মাথার উপর ধরে রাখুন। লক্ষ্য করুন, কোনো শক্ত দলা, দড়ি পাকানো কিংবা মোটা হয়ে আসা অংশ অনুভুত হয় কিনা। এছাড়া অন্য কোনো পরিবর্তন অনুভব করেন কিনা দেখুন।
দাঁড়িয়ে আয়নায় দেখে

দুহাত দুপাশে রেখে স্বাভাবিক অবস্থায় এবং দুহাত উপরে তুলে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ব্রেস্টের পরিবর্তন লক্ষ্য করুন।
দুহাত দুপাশে রেখে স্বাভাবিক অবস্থায় এবং দুহাত উপরে তুলে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ব্রেস্টের পরিবর্তন লক্ষ্য করুন।
লক্ষ্য করুন ব্রেস্টের আকারে কোনো পরিবর্তন এসেছে কিনা। কোথাও ফুলে উঠেছে কিনা, চামড়ার রংয়ে পরিবর্তন এসেছে কিনা, চামড়া কুঁচকে গেছে কিনা কিংবা নিপলে কোনো সমস্যা মনে হচ্ছে কিনা। এরপর কোমরে দুহাত রেখে শক্ত করে বুকের পেশী টেনে ধরুন এবং কোনো পরিবর্তন দেখতে পান কিনা লক্ষ্য করুন। কারো কারো ক্ষেত্রে বাম এবং ডান ব্রেস্ট একই আকারের নাও হতে পারে। এটা স্বাভাবিক।
শুয়ে অনুভব

ডান কাঁধে বালিশ রেখে ডান হাত মাথার নীচে রাখুন। বাম হাতের মধ্যের তিন আঙ্গুল দিয়ে ডান দিকের বুকের উপর ধীরে এবং আলতো করে ছোটো করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বুকের চারদিকে পরীক্ষা করুন।
ডান কাঁধে বালিশ রেখে ডান হাত মাথার নীচে রাখুন। বাম হাতের মধ্যের তিন আঙ্গুল দিয়ে ডান দিকের বুকের উপর ধীরে এবং আলতো করে ছোটো করে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বুকের চারদিকে পরীক্ষা করুন।
এরপর ধীরে ধীরে চাপ বাড়িয়ে মাঝারী চাপ এবং গভীর চাপে আবার পরীক্ষা করুন। নিপল চেপে ডিসচার্জ এবং শক্ত মাংসপিণ্ডের অস্তিত্ব পরীক্ষা করুন। একই ভাবে বাঁদিকের ব্রেস্ট পরীক্ষা করুন।
উপসংহার
বিষয়টি নাজুক হলেও বাঁচতে হলে আমাদের জানতে হবে। সুতরাং অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই প্রতিমাসে একবার এই পরীক্ষাটি করুন। এবং বন্ধুদের জানান। পুরুষর হলেও সচেতন হোন এবং নিয়মিত ব্রেস্ট পরীক্ষা করুন।
বিষয়টি নাজুক হলেও বাঁচতে হলে আমাদের জানতে হবে। সুতরাং অবশ্যই অবশ্যই অবশ্যই প্রতিমাসে একবার এই পরীক্ষাটি করুন। এবং বন্ধুদের জানান। পুরুষর হলেও সচেতন হোন এবং নিয়মিত ব্রেস্ট পরীক্ষা করুন।
শনিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০১১
স্তন ক্যান্সার :আপনিই চিকিৎসক
স্তন ক্যান্সার নারীর জন্য মূর্তমান আতঙ্ক হলেও এটি কিন্তু অনেক ক্যান্সারের তুলনায় ভালো। যেমন_ অগ্ন্যাশয়ের ক্যান্সারের কথাই ধরা যাক। এটা এমনই মারাত্মক ক্যান্সার যে, তা বোঝার কোনো উপায়ই থাকে না। একেবারে শেষদিকে এটি ধরা পড়ে। আর যখন ধরা পড়ে তখন করার কিছুই থাকে না। অথচ একটু সচেতন হলেই এ ক্যান্সার থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। সঠিক সময়ে ও সঠিকভাবে স্তন ক্যান্সারের চিকিৎসা করানো সম্ভব হলে রোগমুক্ত হয়ে ১০ বছর বেঁচে থাকার হার প্রায় ৯৮ শতাংশ। স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ে আপনি একজন চিকিৎসকের ভূমিকা পালন করতে পারেন। এ জন্য মাসে আপনাকে কয়েক মিনিট সময় ব্যয় করতে হবে। নিজে নিজে আপনার স্তন পরীক্ষা করুন। মাসিক শুরুর ৭ থেকে ১০ দিন পর বা মাসিক শেষ হওয়ার তিন দিন পর স্তন পরীক্ষা করা সবচেয়ে ভালো সময়। এ সময় স্তনের তারল্য এবং কোষের বৃদ্ধি কমে যাওয়ায় স্তনে কোনো ধরনের সমস্যা দেখা দিলে তা ভালোভাবে বোঝা যায়। শরীরের উপরের অংশ থেকে কাপড় খুলে দুই হাত পাশে রেখে আয়নার সামনে বসুন। এবার ভালোভাবে লক্ষ্য করুন স্তনে কোনো অস্বাভাবিকতা যেমন_ দুটো স্তনের মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য আছে কি-না, স্তনের আকার-আকৃতি ও কালারে পরিবর্তন, দুটো নিপল বা স্তন বোঁটা একই লাইনে আছে কি-না, নিপল ভেতরে ঢুকে গেছে কি-না, স্তনের ত্বকে কোনো পরিবর্তন দেখা যায় কি-না, নিপল থেকে রক্তিম বা পানির মতো কিছু বের হয় কি-না। এবার হাত আস্তে আস্তে মাথার ওপরে তুলুন। দেখুন, স্তনের ত্বক কমলালেবুর খোসার মতো মনে হচ্ছে কি-না, কোনো চাকা দেখা যায় কি-না। এবার পুরো স্তনকে চার ভাগ করে প্রত্যেক ভাগ হাতের আঙুল দিয়ে ভালো করে পরীক্ষা করুন। হাতে চাকার মতো কিছু লাগে কি-না, তা বোঝার চেষ্টা করুন। যদি স্তনে কোনো চাকা বা উপরের সমস্যাগুলো দেখা দেয়, দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন। এভাবে প্রতি মাসে একবার স্তন নিজে নিজে পরীক্ষা করুন।
শনিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০১১
স্তন ক্যান্সারের লক্ষণ
বেশির ভাগ মহিলার ক্ষেত্রেই স্তনের ক্যান্সার প্রথম লক্ষ করা যায় স্তনে একটি বেদনাহীন পিণ্ডের আকারে। তবে অন্যান্য কিছু লক্ষণ সম্পর্কেও সচেতন থাকা দরকার। যেমন স্তনের আকার বা আকৃতিতে পরিবর্তন, স্তনের ত্বকে টোল পড়া, স্তনে একটি পিণ্ড বা স্ফীতি দেখা দেয়া, স্তনের বোঁটার পরিবর্তন অর্থাৎ ভেতর দিকে ঢুকে যাওয়া, স্তনের বোঁটা থেকে রক্তসহ তরল পদার্থের ক্ষরণ, স্তনের বোঁটায় বা তার চার পাশে চুলকানির মতো হওয়া এবং বগলের লসিকা গ্রন্থিগুলোর স্ফীতি। এসব লক্ষণ দেখা দিলে শিগগিরই ডাক্তারের কাছে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকরা।
শুক্রবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১১
স্তন ক্যান্সার এখন
২০ বছর আগে স্তন ক্যান্সারের যে পর্যায় ছিল, এখন এর চেয়ে অনেক ভালো। এখন মানুষের বেঁচে থাকার সম্ভাবনা অনেক বেড়েছে। এ জন্য সাধুবাদ দিতে হয় মানুষের এ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে আগাম চিহ্নিত করার আর চিকিৎসা ক্ষেত্রে অগ্রগতিকে।
লক্ষণ উপসর্গ
এ ক্যান্সারের তেমন লক্ষণ উপসর্গ নাও থাকতে পারে আবার কখনও কখনও মহিলারা খুঁজে পান স্তনে কোনো সমস্যা।
* স্তনে বেদনাহীন কোনো চাকা।
* স্তনের আকার-আয়তনে কোনো পরিবর্তন।
* বগলে কোনো চাকা বা স্ফীতি।
* স্তনবৃন্তে পরিবর্তন বা ক্ষরণ।
* স্তনে ব্যথা-বেদনা।
প্রদাহজনিত স্তন ক্যান্সার :বেশ বিরল যদিও, বাড়ে, দ্রুত চাকা হয় না স্তনে। তবে স্তনের চামড়া পুরু হয়ে যায়, লাল হয়ে যায়, মাঝে ছোট ছোট গর্ত_ কমলার খোসার মতো। হাত দিলে গরম লাগে, মাঝে মাঝে লাল ফুসকুড়ি।
স্তন ক্যান্সার ও ম্যামোগ্রাম : যত আগে এ ক্যান্সার পাওয়া যায় তত সহজ হয় এর চিকিৎসা। স্তনের এক্স-রে ম্যামোগ্রাম টিউমার বড় হওয়ার আগেই একে চিহ্নিত করে ফেলে। যাদের মাঝারি ঝুঁকি রয়েছে আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটি তাদের জন্য ৪০ বছর হওয়ার পরপর বছরে একবার ম্যামোগ্রাম করতে বলেন। আমেরিকান প্রিভেনটিভ টাস্কফোর্স পরামর্শ দেয় ৫০ থেকে ৭৪ বছর বয়সকালে দু'বছরে একবার স্ক্রিনিং ম্যামোগ্রাম করার জন্য।
স্তনের আলট্রাসাউন্ড এবং এমআরআই : ডাক্তার বলতে পারেন, বাড়তি আরও ইমেজিং_ স্তনের আলট্রাসাউন্ড। স্তনের সিস্ট যা টিউমার নয়, একে ধরে ফেলে আলট্রাসাউন্ড। যাদের খুব ঝুঁকি তাদের জন্য ফেল হতে পারে এমআরআই।
নিজের স্তন পরীক্ষা নিজেই : স্তন সম্পর্কে জানা, পরিবর্তন কী হতে পারে জেনে তা নজরদারি করা, মাসে একদিন নিজে পরীক্ষা করে দেখা ভালো। ডাক্তারের কাছে জেনে নিতে হবে কী করে পরীক্ষা করতে হয়।
স্তনে যদি চাকা পাওয়া যায় : আতঙ্ক কেন? ৮০ শতাংশ স্তনের চাকা ক্যান্সার হয় না। হয়তো জলস্ফোটক বা সিস্ট। তবে ডাক্তারকে বলতে হবে। আর দুর্ভাগ্যক্রমে টিউমার হলেও যদি আগাম চিকিৎসা হয় তাহলে অনেক সুফল।
স্তন বায়োপসি : প্রয়োজনে টিস্যুর নমুনা নিয়ে ল্যাবে পরীক্ষা। ছোট সুচ দিয়ে নেবেন ডাক্তার এবং পরীক্ষা করবেন।
হরমোন সংবেদনশীল স্তন ক্যান্সার : ডাক্তার তা জেনে নেবেন পরীক্ষা করে, চিকিৎসাও দেবেন।
এইচইআর-২ স্তন ক্যান্সার
এ জন্য আছে বিশেষ চিকিৎসা।
ক্যান্সারের আছে ধাপ :একবার নির্ণয় হলে ডাক্তারকে জানতে হয় কত বড় হয়েছে টিউমার, ছড়িয়েছে কতটুকু, কতদূর। একে বলে স্টেজিং। ০-৪ হলো ধাপ। টিউমার কি স্থানিক? একই স্থানে সীমিত নাকি পাশের লসিকাগ্রন্থিতে প্রবেশ করেছে, নাকি অন্য অঙ্গ যেমন ফুসফুস পর্যন্তও ছড়িয়েছে। ধাপ জেনে, এর ধরন জেনে চিকিৎসা হয় যথাযথ।
বেঁচে থাকার সম্ভাবনা : যত আগে চিহ্নিত হবে বেঁচে থাকার সম্ভাবনা তত বাড়বে। আমেরিকান ক্যান্সার সোসাইটির মতে, ধাপ-১ স্তন ক্যান্সার এমন শতভাগ রোগী বেঁচে থাকেন পাঁচ বছর, অনেকে আবার নিরাময়ও হতে পারেন। ধাপ-৪ হলে পাঁচ বছর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা মাত্র ৩০ শতাংশ। তবে কার্যকর চিকিৎসা পেলে সম্ভাবনা আরও বাড়ে।
আছে সার্জারি :স্তনের চাকা অপসারণ, নয়তো স্তন অপসারণ। নির্বাচন করবেন ডাক্তার ক্ষেত্রবিশেষে।
আছে বিকিরণ চিকিৎসা :উচ্চ শক্তির রশ্মি ধ্বংস করে ক্যান্সার কোষ। সার্জারির পর নয়তো কোমার সহসঙ্গী হিসেবে। ষ আছে কেমোথেরাপি। এ ওষুধ ধ্বংস করে ক্যান্সার কোষ। ষ আছে হরমোন থেরাপি। আছে লক্ষ্যভেদী ওষুধ।
ক্যান্সারের পর জীবন : জীবন পরিবর্তনের অভিজ্ঞতা বটে। সে সময় চাই স্বজনের সাহচর্য।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)